Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে মূল্য চোকাতে হবে ভারত, চিন, তুরস্ককে! ২৫% শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আলোচনা এখনও সম্ভব। তিনি জানান, ইরানের তরফে ফোন এসেছে এবং তারা আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে মূল্য চোকাতে হবে ভারত, চিন, তুরস্ককে! ২৫% শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প

ফাইল ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 13 January 2026 07:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানে চলতে থাকা বিক্ষোভ (Iran protests crackdown), দমন-পীড়ন এবং আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Doland Trump Iran tariff) ঘোষণা করেছেন, যে কোনও দেশ যদি ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যায়, তবে সেই দেশের আমেরিকায় করা সমস্ত বাণিজ্যের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক (US Iran relations) আরোপ করা হবে (Trump Imposes 25% Tariff on Countries Trading with Iran)। তাঁর এই সিদ্ধান্তে আমেরিকার অনেক বড় বাণিজ্যিক সম্পর্কই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লেখেন, সিদ্ধান্তটি 'এক্ষুনি কার্যকর' হবে এবং যে কোনও দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে সেই দেশের মার্কিন ব্যবসার উপর নতুন এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে। তবে কীভাবে এই নীতি বাস্তবায়িত হবে বা কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে তিনি কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করে এমন বড় দেশগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত, চিন, তুরস্ক।

ট্রাম্পের এই নির্দেশ এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ইরানে বিক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। নরওয়ে-ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘ইরান হিউম্যান রাইটস’-এর দাবি, দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় অন্তত ৬৪৮ জন মারা গিয়েছেন। তবে ইরান সরকারের তরফে এখনও মৃত্যু নিয়ে সরকারি সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তারা বরাবরই বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলছে, বিশেষ করে আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে।

এরই মধ্যে রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম আরও তীব্র সুরে ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন (Lindsey Graham Iran remark)। তিনি দাবি করেছেন, ইরান সরকার 'রেড লাইন' পেরিয়ে গেছে, এবার তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলা হওয়া উচিত, যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, 'স্থলে সেনা পাঠাতে হবে না, শুধু যারা হত্যা করছে তাদের লক্ষ্য করে আঘাত হানতে হবে।'

এই কঠোর অবস্থানের মধ্যেও মার্কিন প্রশাসন জানাচ্ছে যে কূটনীতি এখনও টেবিলে আছে। হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্টের কাছে সবসময়ই কূটনীতি প্রথম বিকল্প।” তাঁর দাবি, ইরান প্রকাশ্যে যাই বলুক না কেন, গোপনে তারা আলোচনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।

ট্রাম্প নিজেও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আলোচনা এখনও সম্ভব। তিনি জানান, ইরানের তরফে ফোন এসেছে এবং তারা আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও দাবি করেন যে তিনি ইরানের বিরোধী পক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন।

অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, আমেরিকা যে কয়েকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেগুলি ইরান বিবেচনা করছে। তিনি জানান, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তাঁর আলোচনা বিক্ষোভের আগে ও পরে- দুটো সময়েই হয়েছে এবং এখনও চলছে।

ইরানের অভ্যন্তরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তেহরান-ওয়াশিংটন দ্বন্দ্বও আরও তীব্র হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনগুলোতে এই সংকট আরও বাড়তে পারে।


```