যাওয়ার আগে ‘অকেজো করে দিয়েছে’ মার্কিন সেনা, কাবুলে পরিত্যক্ত অস্ত্রশস্ত্র কাজেই লাগবে না তালিবানের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আফগানিস্তানকে (afghanistan) তালিবানের (taliban) হাতে ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় মার্কিন সেনাবাহিনী (us military) কাবুল বিমানবন্দরে (kabul) প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক যন্ত্রপাতি (vehicles and aircraft) ফেলে গিয়েছে বলে শোনা যাচ্
শেষ আপডেট: 1 September 2021 14:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আফগানিস্তানকে (afghanistan) তালিবানের (taliban) হাতে ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় মার্কিন সেনাবাহিনী (us military) কাবুল বিমানবন্দরে (kabul) প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক যন্ত্রপাতি (vehicles and aircraft) ফেলে গিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। সেগুলি এখন তালিবানের দখলে। ফলে জঙ্গি গোষ্ঠীটি সামরিক মাপকাঠিতে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী, ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে বলে যখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, তখন মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের প্রধান জেনারেল কেনেথ এফ ম্যাকেঞ্জির দাবি, কিছু অস্ত্রশস্ত্র বের করা হয়েছে বটে, তবে বাকিগুলি ডিমিলিটারাইজ (demilitarize) অর্থাত্ সামরিক ভাবে অকেজো করে দিয়েছেন তাঁরা। যার অর্থ, সেগুলি যাতে আর ব্যবহার করা না যায়, সেজন্য জেনেশুনেই ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। কাবুল বিমানবন্দর থেকে যে শেষ মানববাহী বিমান আফগানিস্তান ছেড়েছে, তার সওয়ারী ছিলেন ম্যাকেঞ্জি।
আরও পড়ুন--নারদ মামলায় চার নেতা-মন্ত্রীকে সমন, আদালতে চার্জশিট পেশ
গত সোমবার কাবুল বিমানবন্দরে সম্ভাব্য রকেট হামলা রুখতে কাউন্টার রকেট, আর্টিলারি ও মর্টার (সি-রাম) সিস্টেম ব্য়বহার করেছিল মার্কিন সেনা। একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তা চালু রেখে যাওয়ার সময় নিষ্ক্রিয় করে দিয়ে যায় তারা। ম্যাকেঞ্জির কথায়, আমরা ওইসব সিস্টেম একেবারে বিকল করে দিয়েছি যাতে আর কখনও ফের ব্যবহার করা না যায়। আমাদের কাছে ওগুলি দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেয়ে বাহিনীকে বাঁচানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, সামরিক ভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া যন্ত্রাংশের ৭০ শতাংশই হল মাইন-প্রতিরোধী অ্যাম্বুশ প্রটেকটেড ভেহিকল (এমআরএপি) ‘যা আর কেউ কখনও কাজে লাগাতে পারবে না।‘ ২৭টি হামভিও আছে যেগুলি আর কখনও চালানো যাবে না। ৭৩টি বিমান আর কখনও উড়তে পারবে না। বিমানগুলির অধিকাংশ অভিযান চালানোর মতো অবস্থাতেই নেই। কেউ কখনও সেগুলি সচল করে তুলতে পারবে না, বলেন সেন্টকম কম্যান্ডার।
অর্থাত্ পরিত্যক্ত অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক সম্ভার বিমানবন্দরে পড়েই থাকতে থাকতে একদিন ফেলে দেওয়া লোহালক্কড়ে পরিণত হবে তালিবানের চোখের সামনেই।