কাতার সরকার জানিয়েছে, তারা ইরানের ‘আগ্রাসন’-এর জবাব দেবে ঠিক সময় মতো। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাতার এই সংঘাতে জড়িত নয়।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 June 2025 00:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র (Iran Missile Attack) কাতারে (Qatar) অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটির (USA Airbase) উপর আঘাত হানলেও, কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সোমবার রাতে এমনটা নিশ্চিত করেছে কাতার সরকার। তবে তাঁরা যে পাল্টা আঘাত হানবে এর ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছে দোহা। নিজেদের আকাশসীমা লঙ্ঘনের প্রতিবাদে তেহরানকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছে কাতার।
'সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট অবমাননা।' তাঁদের দেশের মিসাইল হামলার এই ভাষাতেই প্রতিবাদ করেছে কাতার। বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানায়, “এই হামলা কাতারের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।” সেই সঙ্গে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সংঘর্ষ মূলত ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে, সেখানে কাতারকে টেনে আনা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই এবার তাঁদের প্রত্যাঘাত করারও অধিকার রয়েছে।
কাতার সরকার জানিয়েছে, তারা ইরানের ‘আগ্রাসন’-এর জবাব দেবে ঠিক সময় মতো। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাতার এই সংঘাতে জড়িত নয়। আমাদের আকাশসীমায় এভাবে হামলা চালানো শুধু অনভিপ্রেত নয়, তা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রচেষ্টারও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায়।”
আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদমাধ্যম এবং সংস্থা জানিয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে সোমবার রাতেই। এদিকে কাতারের আকাশসীমা সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। অন্যদিকে, মার্কিন এবং ব্রিটিশ দূতাবাস নাগরিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে, বাড়ির বাইরে না বেরোনোর জন্য। কাতারে স্কুল, কলেজ, অফিস — সব জায়গায় পাঠানো হয়েছে সতর্কবার্তা।
একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্য ছিল কাতারে অবস্থিত 'আল উদেইদ এয়ারবেস' — মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির তথ্য মেলেনি, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।