Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

Nobel Prize 2025: কোয়ান্টাম মেকানিক্সে যুগান্তকারী আবিষ্কার! পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন তিনজন

চলতি বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল কারা পেলেন তা ঘোষণা হয়ে গেল। মঙ্গলবার জানানো হল এই বিভাগে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনজন। 

Nobel Prize 2025: কোয়ান্টাম মেকানিক্সে যুগান্তকারী আবিষ্কার! পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন তিনজন

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 7 October 2025 15:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছর পদার্থবিদ্যায় (Physics) নোবেল (Nobel Prize 2025) কারা পেলেন তা ঘোষণা হয়ে গেল। মঙ্গলবার জানানো হল এই বিভাগে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনজন - জন ক্লার্ক, মাইকেল ডেভোরেট এবং জন মার্টিনিজ।

এই বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন এই তিন বিজ্ঞানী। তাঁদের আবিষ্কার - একটি ইলেকট্রিক সার্কিটে বৃহৎ আকারের কোয়ান্টাম টানেলিং ও শক্তির স্তরবিন্যাস (Energy Quantisation) আজকের কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ভিত্তি গড়ে দিয়েছে।

রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে, এই আবিষ্কারের জন্য ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কার তিনজনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ১০ লক্ষ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তাঁরা যৌথভাবে এক বিশেষ ধরনের সার্কিট নিয়ে কাজ করেন, যেটি তৈরি হয়েছিল সুপারকন্ডাক্টর (Supercondutor) বা এমন উপাদান দিয়ে যা বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে কোনও প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই। সার্কিটের মধ্যে ব্যবহৃত হয়েছিল জোসেফসন জংশন, যেখানে দু’টি সুপারকন্ডাক্টরের মাঝখানে থাকে এক অতি সূক্ষ্ম অ-পরিবাহী স্তর।

এই সার্কিটে তাঁরা এমন এক অবস্থা সৃষ্টি করেন, যেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহ থাকলেও কোনও ভোল্টেজ (Voltage) তৈরি হয় না। কোয়ান্টাম প্রভাবে সেই অবস্থা হঠাৎ পরিবর্তিত হয় - সিস্টেমটি এক প্রকার ‘টানেলিং’-এর মাধ্যমে শক্তির বাধা অতিক্রম করে এবং তার ফলে ভোল্টেজ দেখা দেয়।

এই পরীক্ষাগুলি প্রমাণ করে যে, কোয়ান্টাম প্রভাব কেবলমাত্র ক্ষুদ্র কণার মধ্যেই নয়, বৃহৎ সিস্টেমেও ঘটতে পারে। তাঁরা আরও দেখান যে এই সিস্টেম নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ বা নির্গত করতে পারে - অর্থাৎ এটি 'কোয়ান্টাইজড'।

নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ওলে এরিকসন বলেছেন, “শতবর্ষ প্রাচীন কোয়ান্টাম মেকানিক্স এখনও আমাদের চমকে দেয়। আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত্তি এই কোয়ান্টাম তত্ত্বই।”

এই আবিষ্কার ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং সংবেদনশীল কোয়ান্টাম সেন্সর প্রযুক্তি উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


```