মঙ্গলবার সেনাপ্রধানের চাপেই পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। নিরাপদে দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করতে সেনাপ্রধানের সহায়তা চাইলে তিনি শর্ত দেন পদত্যাগ করলে তবেই মিলতে পারে নিরাপত্তা।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 10 September 2025 10:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেপালের পরিস্থিতি এখনও অগ্নিগর্ভ ভাঙচুর, সরকারি-বেসরকারি অফিসে আগুন দেওয়া চলছেই (Nepal Clash)। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কার্ফু জারি থাকলেও অব্যাহত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার ভার নিলেও তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন নারায়ণ বিমান বন্দর রক্ষা করা ছাড়া সেনার আর কোনও সক্রিয় ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার সেনাপ্রধানের চাপেই পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। নিরাপদে দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করতে সেনাপ্রধানের সহায়তা চাইলে তিনি শর্ত দেন পদত্যাগ করলে তবেই মিলতে পারে নিরাপত্তা। নেপালের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম এখনও ঘোষণা করেনি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কোথায় আছেন। সরাসরি দেশের দায়িত্বও নেয়নি সেনাবাহিনী। শোনা যাচ্ছে কাঠমান্ডুর মেয়রকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী করা হতে পারে।
গত বছর বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের সময় সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শেষ মুহূর্তে বিশ্বাস ঘাতকতা করেন বলে অভিযোগ। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা খোলা নেই বলে জানিয়ে দেন।
তাঁর বাহিনীর ভূমিকা ছিল আরও বিতর্কিত। দেশ জুড়ে সরকারি-বেসরকারি অফিসে আগুন দেওয়া, ভাঙচুর, হত্যা চলতে থাকলেও সেনাবাহিনী ছিল নীরব দর্শক।
নেপালেও সেনার ভূমিকা হুবহু এক। বাহিনী পথে থাকলেও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আটকাতে তারা কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না৷ কলকাতা, পাটনা, লখনউ, দিল্লি থেকে কাঠমান্ডুগামী বিমান বাতিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দরে ঢুকতে না পারলেও এলাকায় দেদার ড্রোন উড়িয়ে বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। ফলে কাঠমান্ডু থেকে কোনও বিমান ওঠানামা করতে পারছে না। থানা, ব্যারাক থেকে পুলিশ গা ঢাকা দেওয়ায় মগের মুলুকে পরিণত হয়েছে কাঠমান্ডু।