
শেষ আপডেট: 13 December 2021 08:41
মহাকাশ মিশনের জন্য যে দশ জনকে বেছে নিয়েছে নাসা তাঁদের মধ্যে চারজন মহিলাও আছেন। মার্কিন বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের পাইলট, সাইক্লিস্ট, পদার্থবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকও আছেন।
গবেষণার কাজে দীর্ঘ সময় ভারতে কাটিয়েছেন অনিল মেনন। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমেরিকায়। বাবা ভারতীয় ও মা ইউক্রেনের বাসিন্দা। ১৯৭৮ সালে মিনিয়াপোলিসে জন্ম হয় অনিলের। ৪৩ বছর বয়সি অনিলের স্ত্রী আন্নাও স্পেস এক্সে কর্মরত। ২০১৮ সালে ইলন মাস্কের স্পেস এক্স-এর প্রথম ফ্লাইট সার্জেন হন অনিল। স্টেম সেল নিয়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করেন তিনি।
মার্কিন বায়ুসেনায় স্পেস উইং ফ্লাইট সার্জন ছিলেন অনিল মেনন। বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। মাউন্ট এভারেস্টে হিমালয়ান রেসকিউ অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে পর্বতারোহীদের চিকিৎসার জন্য নেপালেও ছিলেন বেশ কিছুদিন।
[caption id="" align="aligncenter" width="478"]
নাসা জানিয়েছে, এই লুনার স্পেস স্টেশন হবে সৌরমণ্ডলের বিভিন্ন গ্রহে যাওয়ার জন্য নাসার একমাত্র ‘ট্রান্সপোর্টেশন হাব’। চাঁদের অভিকর্ষ বলের টান পৃথিবীর তুলনায় বেশ হাল্কা, তাই মহাকাশযানের জ্বালানি সাশ্রয়ও হবে অনেকটাই। এইজন্য অবশ্য লঞ্চপ্যাড বানাতে হবে চাঁদের বুকে। তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে পৃথিবী থেকে বার বার মালপত্র বয়ে নিয়ে যাওয়ার ঝক্কি অনেক। তাই আগে চাঁদের কক্ষপথে জমিয়ে বসতে হবে মার্কিন গবেষণা সংস্থাকে। তার জন্যই এই লুনার স্পেস স্টেশন।
২০১১ সালের পরে মহাকাশে ফের মানুষ নিয়ে যাওয়ার বড়সড় কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এবার অন্য দেশ নয় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার হাত ধরেছে ইলন মাস্কের বেসরকারি সংস্থা স্পেস এক্স। প্রথমবার ২০০৮ সালে পৃথিবীর কক্ষে ফ্যালকন ১ রকেট পাঠিয়েছিল স্পেস এক্স। সেটাই ছিলপ্রথম মহাকাশ মিশন। ২০১০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট মহাকাশে পাঠিয়েছিল তারা। এরপরে ২০১৫,২০১৭ সালে ফ্যালকন ৯ রকেট পাক খেয়েছে পৃথিবীর কক্ষে। ২০১১ সালে প্রথমবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে নামে স্পেস এক্সের ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট। তারপর থেকে দীর্ঘ সময়ের বিরতি। এখন আবার আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভশ্চরদের নিয়ে যাচ্ছে স্পেস এক্স। উদ্যোগ-আয়োজনে পাশে রয়েছে নাসা। সেই অভিযানের অন্যতম প্রধান অংশ হতে চলেছেন একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'