ইজরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের প্রেসিডেন্ট প্যালেস এবং অস্ত্র তৈরির কারখানা গুলিকে নিশানা করেছে। হাতিয়ার তৈরির একাধিক কারখানা তারা ধ্বংস করে দিয়েছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর দেশের।

ইরানে ইজরায়েলের হামলা
শেষ আপডেট: 4 March 2026 10:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানে নতুন করে বড় ধরনের হামলা শুরু করেছে ইজরায়েল (Israel-Iran Conflicts)। ভারতীয় সময় মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে এই হামলা শুরু করে ইজরায়েলি বাহিনী (Israel Force)। এখনও পর্যন্ত খবর, এই হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump) দাবি করেছেন ইরানের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তারা আর ফোঁস করতে পারবে না। ট্রাম্পের দাবি শনিবার লড়াই শুরুর পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দু'হাজার লক্ষবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। যদিও আরব দুনিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি গুলিতে ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে (Iran-US War)। ইরানের হামলায় পাঁচ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে নানা সূত্রের খবর।
ইজরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানের প্রেসিডেন্ট প্যালেস এবং অস্ত্র তৈরির কারখানা গুলিকে নিশানা করেছে। হাতিয়ার তৈরির একাধিক কারখানা তারা ধ্বংস করে দিয়েছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর দেশের। নতুন করে হামলায় ইজরায়েলকী ধরনের অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, তা স্পষ্ট করেনি দেশটি।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলি বাহিনীর হামলায় (US Israel attack on Iran ) ৭৮৭ জন নিহত হয়েছেন। আহতদের সংখ্যা নিয়ে এখনো ইরান সরকারিভাবে কিছু জানায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) দাবি নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প জোড়ালোভাবে দাবি করেছেন, ইরানের এখন কোন নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী নেই। ইজরায়েল ও মার্কিন হামলায় সবকিছু ধুলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে।
এই সংঘাতের মাঝে ট্রাম্প ব্রিটেনের ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের (Keir Starmer) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল ব্রিটেনের ওপর ট্রাম্পের লাগাতার চাপের পর স্টারমার ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে (Israel-Iran War) জড়াতে রাজি হয়েছে। জানা যাচ্ছে সাইপ্রাসে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলার পর স্টারমার ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক দুনিয়া মনে করছে পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে ইরান রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে যুদ্ধ বিরতির আর্জি না জানালে হামলা অব্যাহত থাকবে।