Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

তলে তলে দুর্নীতি চালাচ্ছিলেন চিনপন্থী মুইজ্জু, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পর্দা ফাঁস

মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দুর্নীতির সমস্ত কীর্তি ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

তলে তলে দুর্নীতি চালাচ্ছিলেন চিনপন্থী মুইজ্জু, মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পর্দা ফাঁস

মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস।

শেষ আপডেট: 18 April 2024 10:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বড়সড় দুর্নীতির পর্দা ফাঁস। রিপোর্ট বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে তলে তলে দুর্নীতি চালাচ্ছিলেন মহম্মদ মুইজ্জু। আর্থিক তছরুপ, বেআইনি লেনদেনের একাধিক প্রমাণ মিলেছে তাঁর বিরুদ্ধে। মলদ্বীপে ভোটে আগে একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দুর্নীতির সমস্ত কীর্তি ফাঁস হয়ে গিয়েছে।

মুইজ্জু বিরোধীদের দাবি, সেই ২০১৮ সাল থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। বিরোধী নেতারা মুইজ্জুর বিরুদ্ধে তদন্ত এবং তাঁর ইমপিচমেন্টের দাবি করেছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

সামলেই মলদ্বীপে সংসদীয় নির্বাচন। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেসের মধ্যে কড়া টক্কর হবে বলেই অনুমান। ঠিক তারই আগে, গোয়েন্দা রিপোর্টে মুইজ্জুর সব কুকীর্তির পর্দা ফাঁস করা হল। 

২০১৮ সালের ওই গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুইজ্জুুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে। কমপক্ষে ১০টি আর্থিক তছরুপের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি। ওই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দিনের পর দিন বেআইনি লেনদেন চালিয়ে গেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তাঁর দুর্নীতিতে সরকারি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্টের পদে বসার পরই চিনপন্থী মহম্মদ মুইজ্জু মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন। ডেডলাইনও বেঁধে দেন তিনি। এমনকী প্রকাশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু-সহ মলদ্বীপ সরকারের তিন মন্ত্রী। প্রতিবাদে সেদেশে সংসদে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বিরোধীরা। 

বিরোধীদের বক্তব্য, মুইজ্জির চীন ঘনিষ্ঠতার জেরে ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের সুস্থ সম্পর্ক তলানীতে এসে ঠেকেছে। অবিলম্বে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তুলেছিলেন বিরোধীরা।


```