লস্কর-ই-তইবা (LeT)-র কমান্ডার সইফুল্লা কাসুরি, যিনি পহেলগামের নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার মূল চক্রী হিসেবে অভিযুক্ত, বুধবার তাঁকে পাকিস্তানের একটি রাজনৈতিক সমাবেশে দেখা গেছে। যেখানে তিনি পাক রাজনৈতিক নেতা ও ভারতের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' তালিকায় থাকা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

সইফুল্লা কাসুরি
শেষ আপডেট: 29 May 2025 15:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লস্কর-ই-তইবা (LeT)-র কমান্ডার সইফুল্লা কাসুরি (Saifullah Kasuri), যিনি পহেলগামের নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার (Pahalgam Attack) মূল চক্রী হিসেবে অভিযুক্ত, বুধবার তাঁকে পাকিস্তানের (Pakistan) একটি রাজনৈতিক সমাবেশে দেখা গেছে। যেখানে তিনি পাক রাজনৈতিক নেতা ও ভারতের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' (Most Wanted) তালিকায় থাকা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (PMML) এই সমাবেশটি সে দেশের বার্ষিক পারমাণবিক পরীক্ষা দিবস 'ইউম-এ-তাকবির' উপলক্ষ্যে আয়োজন করে। যেখানে উস্কানিমূলক বক্তব্য তো বটেই, ভারতবিরোধী স্লোগানও দেওয়ার চল রয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তইবা প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের পুত্র তালহা সইদ, যিনি ভারতের চোখে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী।
পাঞ্জাব প্রদেশের কাসুরের ওই সমাবেশ থেকে কাসুরি বলেন, “আমাকে পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার মূল চক্রী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, এখন গোটা পৃথিবীতে আমি বিখ্যাত।”
মনে করা হচ্ছে, কাসুরি পাকিস্তানের লস্কর-ই-তইবা-র হয়ে কাজ করা দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট-এর জঙ্গিদের পরিচালিত পহেলগামের বৈসরন উপত্যকার নৃশংস হামলার ঘটনার দিকেই ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন, যেখানে ২৬ জন নিরীহ 'হিন্দু' পর্যটককে হত্যা করা হয়।
ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাসুরি, যিনি আবার ‘খালিদ’ নামেও পরিচিত—ঘোষণা করেন যে ‘মুদাসসির শহিদ’-এর নামে এলাহাবাদে একটি সাংগঠনিক কেন্দ্র, রাস্তা এবং হাসপাতাল তৈরি করবেন। গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী, মুদাসসির আহমেদ ছিলেন সেই কয়েকজন হাই প্রোফাইল সন্ত্রাসীদের একজন, যারা ভারতের পাল্টা অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ নিহত হয়েছেন।