
শেষ আপডেট: 9 October 2023 08:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্যালেস্তাইনের মুক্তি আন্দোলনের সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের হামলায় দৃশ্যতই বিপর্যস্ত ইজরায়েল। শুধু ইজরায়েলি নাগরিকরাই নয়, হামাসের অতর্কিত হানায় সে দেশে কর্মরত বেশ কিছু মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদ। এই হামলার আগেই কড়া নিন্দা করেছে আমেরিকার জো বাইডেন প্রশাসন। এবার ইজরায়েলকে সমরাস্ত্র দেওয়ার পাশাপাশি রণতরী পাঠাচ্ছে আমেরিকা।
রবিবার মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন এ কথা ঘোষণা করেছেন। বিবৃতি দিয়ে ওয়াশিংটন জানিয়েছে, আমেরিকার একটি রণতরী এবং যুদ্ধ বিমান ইজরায়েলের কাছাকাছি পাঠানো হচ্ছে।
শনিবার সকাল থেকে ইজরায়েলের উপর হামাসের রকেট হানার পর থেকেই আন্দোলিত হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক কূটনীতি। ইজরায়েলের পাশে দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব পশ্চিমের মিত্র দেশগুলি। লয়েড অস্টিন জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইজরায়েলের সঙ্গে কতটা একাত্ম তা এই সাহায্যের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট।
পেন্টাগন জানিয়েছে, পূর্ব ভূমধ্য সাগরে ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড নামে যে রণতরী ও আনুসঙ্গিক যুদ্ধজাহাজ রয়েছে, সেগুলোই ইজরায়েলের কাছে পাঠানো হচ্ছে। এই রণতরী যুদ্ধ বিমান বহনে সক্ষম। অর্থাৎ একই লঙ্গে লড়াকু বিমানও পাঠানো হচ্ছে।
রবিবার ইজরায়েলের মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠক বসে। তাতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকেই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এবার সর্বাত্মক যুদ্ধে যাবে ইজরায়েল।
হামাস ইজরায়েল সংঘাতে ইতিমধ্যে দুই দেশের ১১০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। তবে গাজাতে ইজরায়েলি বিমান হানায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর।