ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, “সংঘর্ষবিরতি এই মুহূর্ত থেকে কার্যকর হচ্ছে। দয়া করে কেউ এর লঙ্ঘন করবেন না।” তবে তাঁর এই ঘোষণার পরও পরিস্থিতি কার্যত যে-কে সেই।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 June 2025 14:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (USA President Donald Trump) ঘোষণা করেছিলেন যে ইরান-ইজরায়েল দুই পক্ষই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত (Iran Israel Conflict) হয়েছে। কিন্তু এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের সংঘাত শুরু। যুদ্ধবিরতির শর্ত ভাঙার (Ceasefire Violation) অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইরান–ইজরায়েলের পরিস্থিতি।
মঙ্গলবার ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ (Israel Katz) ঘোষণা করেছেন, ইরানের দিক থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবে সেনাবাহিনীকে ‘তীব্র পাল্টা আক্রমণের’ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে ইজরায়েল সেনা তথা আইডিএফ জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করার কাজ করছে তাঁরা।
এক বিবৃতিতে ইজরায়েল কাটজ বলেন, “আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ঘোষিত যুদ্ধবিরতি ইরান যেভাবে লঙ্ঘন করেছে, তা স্পষ্টতই চুক্তিভঙ্গ। তাই তেহরানে অবস্থিত ইরানি শাসক গোষ্ঠী ও সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোকে নিশানা করে আমরা সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছি।” তবে ইজরায়েলের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। তাঁদের দাবি, তারা কোনও যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেনি। ইজরায়েলের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, “সংঘর্ষবিরতি এই মুহূর্ত থেকে কার্যকর হচ্ছে। দয়া করে কেউ এর লঙ্ঘন করবেন না।” তবে তাঁর এই ঘোষণার পরও পরিস্থিতি কার্যত যে-কে সেই।
আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানে হামলার পর প্রশাসনিক বৈঠকে বসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখান থেকেই তিনি ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে (Benjamin Netanyahu) ফোন করার নির্দেশ দেন। তাঁকে স্পষ্টত বলেন, আর যুদ্ধ নয় এবার শান্তির পথে হাঁটতে হবে। এই ফোনালাপের পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফোন করেছিলেন কাতারের রাষ্ট্রপ্রধান তামিম বিন হামাদকে।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁকে অনুরোধ করেন যাতে কাতার তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসে যুদ্ধ থামাতে রাজি করায়। শেষমেশ কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান রাজি হয় যুদ্ধবিরতিতে।