
শেষ আপডেট: 21 November 2023 17:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর, মুম্বই হামলার ঘটনার স্মৃতি আজও টাটকা। জঙ্গিগোষ্ঠী 'লস্কর-ই-তৈবা' সেদিন তাণ্ডব চালিয়েছিল বাণিজ্য নগরীকে। সেই জঙ্গিগোষ্ঠীকে এবার নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ইজরায়েল।
৫ দিন পরই মুম্বই হামলার ১৫ বছরে পড়বে। তার ঠিক আগে ইজরায়েল সরকার বিবৃতি দিয়ে জানাল, লস্কর-ই-তৈবাকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'সন্ত্রাসবাদী সংগঠন' হিসাবে ঘোষণার বিষয়ে সমস্ত সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, 'সন্ত্রাসবাদী সংগঠন' হিসেবে ঘোষণা করার ব্যাপারে ভারতের তরফে কোনও অনুরোধ আসেনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'লস্কর-ই-তৈবা’ একটি প্রাণঘাতী এবং জঘন্য সন্ত্রাসী সংগঠন যারা শত শত ভারতীয় নাগরিককে হত্যার জন্য দায়ী। ২৬ নভেম্বর, ২০০৮-এর ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড এখনও সমস্ত শান্তিকামী জাতি ও সমাজে আতঙ্কের স্মৃতিচিহ্ন হয়ে রয়েছে। ২৬/১১ হামলায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। এতবড় জঙ্গি হামলার ঘটনা খুবই বিরল। অনেকেই তাঁদের পরিবারের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন এই হামলায়।
কিন্তু প্রশ্ন হল, এতদিন পর হঠাৎ কেন ইজরারেল 'লস্কর-ই-তৈবা'কে নিয়ে এমন পদক্ষেপ করল?
দেড় মাসের বেশি হয়ে গেল গাজা ভূখণ্ড দখলকে কেন্দ্র করে ইজরায়েল সরকারের সঙ্গে হামাস গোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলছে। কূটনৈতিক কারণে এই যুদ্ধে ভারত কোনও পক্ষকে সমর্থন না করলেও মোদী জমানায় ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের যে সুসম্পর্ক রয়েছে সেটা সারা বিশ্বের কাছে অজানা কোনও বিষয় নয়। হামাসের হামলার পরই ইজরায়েলের পাশে ভারত সম্পূর্ণভাবে আছে বলেও জানিয়েছিলেন মোদী। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনেও কথা বলেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু পরে ভারতের দীর্ঘকালীন বিদেশনীতি অনুসরণ করে খানিকটা পিছিয়ে এসে নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে বাধ্য হয় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই প্রেক্ষাপটেই 'লস্কর-ই-তৈবা’র বিষয়ে ইজরায়েলের সাম্প্রতিক ঘোষণাকে দেখছেন ওয়াকিবহাল মহল।