সোমবার ইরান (Iran) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে তারা দাবি করেছে— দোহায় (Doha) আমেরিকার বৃহত্তম ঘাঁটি আল-উদেইদ এয়ার বেস-এ সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 June 2025 07:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকার (America) নজিরবিহীন বিমান হানার ঠিক এক দিন পরই কড়া জবাব দিল তেহরান (Tehran)। সোমবার ইরান (Iran) একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে তারা দাবি করেছে— দোহায় (Doha) আমেরিকার বৃহত্তম ঘাঁটি আল-উদেইদ এয়ার বেস-এ সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলার নামকরণ করা হয়েছে ‘অপারেশন বশারাত ফতেহ’।
ইরানের তরফে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একটি মিসাইল উৎক্ষেপণের মুহূর্ত এবং সেটির লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দৃশ্য। এখনও পর্যন্ত মিসাইলটি কী, বা কোন ধরণের তা প্রকাশ করেনি ইরান। তবে দাবি, মার্কিন হামলায় ব্যবহৃত বোমার সংখ্যার সমান সংখ্যক মিসাইল ছোড়া হয়েছে এই অভিযানে।
#WATCH | Qatar's Air Defence intercepts missiles fired by Iran at its capital, Doha.
Source: Reuters pic.twitter.com/OBhPmAuDsK— ANI (@ANI) June 23, 2025
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "আমরা সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই দোহা শহর থেকে দূরে ওই মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করেছিলাম। কাতার সরকারকে আগাম জানানো হয়েছিল এই পাল্টা পদক্ষেপের কথা।”
হামলার তীব্র নিন্দা করেছে কাতার সরকার। কাতারের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, “এই হামলা কাতারের আকাশসীমা এবং সার্বভৌমত্বের সরাসরি লঙ্ঘন। আমরা এর কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আন্তর্জাতিক আইনকেও অগ্রাহ্য করা হয়েছে এই পদক্ষেপে।”
রোববার রাতেই আমেরিকা সরাসরি আঘাত হানে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্রে— ফোরদো, নাটাঞ্জ ও এসফাহান। ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের পর এই প্রথমবার এমন স্পষ্ট ও গভীর আক্রমণে নামে আমেরিকা। এই অভিযানের কোডনেম ছিল ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’।