হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ‘নরক নেমে আসবে’—কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের। ৬ এপ্রিলের ডেডলাইন ঘিরে আমেরিকা-ইরান সংঘাত তুঙ্গে, পাল্টা ট্রাম্পকে ‘অসহায় ও দিশাহারা’ বলল তেহরান।

ডোনাল্ড ট্রাম্প
শেষ আপডেট: 5 April 2026 08:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে সেই হুমকিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ তেহরান। ট্রাম্পের আল্টিমেটামকে সরাসরি ‘অসহায় ও দিশাহারা’ বলে কটাক্ষ করেছে ইরান। শান্তি চুক্তিতে রাজি হওয়ার জন্য ইরানের সামনে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন ট্রাম্প, আগামী ৬ এপ্রিল শেষ হচ্ছে সেই ডেডলাইন। হাতে আর ৪৮ ঘণ্টাও বাকি নেই। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ফের ইরানকে সতর্ক করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে ইরানকে। তাঁর দাবি, চুক্তিতে রাজি না হলে এবং প্রণালী চালু না করলে ইরানে ‘নরক নেমে আসবে’। এমনকি ইরানের তেলের দখল নেওয়ার কথাও হুঁশিয়ারির সুরে বলেন তিনি।
শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে আগের দিনের হুঁশিয়ারির কথা আবারও মনে করিয়ে দেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী না খুললে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। সেই হামলা ইরানের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে বলেও সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে ট্রাম্পের এই হুমকিকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ ইরান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আম্বিয়া ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জেনারেল আলি আবদুল্লাহি আলি আবাদি বলেন, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের এই হুমকি ‘অসহায়, দিশাহারা, ভারসাম্যহীন এবং বিবেচনাহীন’ পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।
এদিকে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে ইরানের বিরুদ্ধে বড় হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। শনিবারই এই সতর্কবার্তা দেন তিনি। এর ফলে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ।