
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 25 November 2024 12:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হিজবুল্লার অন্যতম শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ বেইরুট। সেখানে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে ইজরায়েল সেনা। তবে নিজেদের এলাকাকে আইডিএফ মুক্ত করতে কার্যত সর্বশক্তি লাগাচ্ছে ইরান ঘনিষ্ঠ হিজবুল্লা বাহিনীও। দুই দেশের সীমান্তে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ইজরায়েলের উদ্দেশে ২৫০টি রকেটও ছুড়েছে হিজবুল্লা। এই হামলায় আপাতত ৭ জনের আহত হওয়ার খবর এসেছে।
ইজরায়েলি ডিফেন্স সিস্টেম হিজবুল্লার ছোড়া বেশ কয়েকটি রকেট প্রতিরোধ করতে পেরেছে। কিন্তু একসঙ্গে একাধিক রকেট ছোড়ার ফলে তার অনেকগুলিই ইজরায়েলের তেল আভিভ এবং দক্ষিণ ইজরায়েলের একাধিক জায়গায় পড়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেতানিয়াহুর দেশের বিভিন্ন এলাকা। হিজবুল্লার তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রথম তাঁরা দক্ষিণ ইজরায়েলের আশদুদ নাভাল বেসে এয়ারস্ট্রাইক করেছে।
অন্যদিকে এই হামলার সত্যতা স্বীকার করে ইজরায়েলের তরফে বলা হয়েছে, এই নিয়ে দ্বিতীয়বার একদিনে এত মিসাইল ছোড়া হয়েছে তাঁদের উদ্দেশে। এর আগে হিজবুল্লার বিরুদ্ধে প্রথমবার হামলার পরের দিন ৩৫০ মিসাইল ছোড়া হয়েছিল লেবানন থেকে। আইডিএফ অবশ্য চুপ করে বসে নেই। তাঁরা ইতিমধ্যে দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়ে অন্তত ৮৪ জনকে হত্যা করেছে।
রিপোর্ট বলছে, গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এখনও পর্যন্ত দুই দেশের সংঘাতে ৩ হাজার ৭৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলের ৮২ জন জওয়ান এবং ৪৭ জন সাধারণ নাগরিকও এর মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক শীর্ষ আধিকারিক জসেফ বোরেল লেবানন সফর করেছিলেন। ইজরায়েলের সঙ্গে যাতে শান্তিচুক্ত করানো যায়, সেটাই ছিল লক্ষ্য। তবে তিনি ব্যর্থ হন। এরপরই কার্যত আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ধ্বংস হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে লেবানন!
সম্প্রতি আবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সে দেশের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। সেই প্রেক্ষিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি 'ওয়ার ক্রাইম' করছেন। নৈতিকতার সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে খুন, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, মানুষের ওপর নারকীয় অত্যাচার, খেতে না দেওয়ার মতো অপরাধ করছেন তিনি।