Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারত-আমেরিকার ভিন্ন সুর! রুবিওর সামনেই আপস না করার বার্তা বিদেশমন্ত্রীর

গত কয়েক বছর ধরে ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) পরে ভারত অত্যন্ত সস্তায় রুশ তেল কিনে এসেছে। বর্তমানে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৫ শতাংশই আসে রাশিয়া থেকে। 

রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারত-আমেরিকার ভিন্ন সুর! রুবিওর সামনেই আপস না করার বার্তা বিদেশমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 14 February 2026 23:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নতুন দফার পর আরও একবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল ভারতের রুশ তেল কেনার বিষয়টি।  মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও (US Secretary of State Marco) দাবি করেছেন, ভারত ওয়াশিংটনকে আশ্বস্ত করেছে যে তাড়া আর রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না। যদিও এই বিষয়ে দেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও (India External Affairs Minister S Jaishankar)।  ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতির (geopolitical dynamics) গুরুত্বপুর্ণ এই ইস্যুতে দুই দেশের বক্তব্যে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর।

শনিবার মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে রুবিও বলেন, “আমাদের আলোচনায় ভারত জানিয়েছে— নতুন করে আর রুশ তেল কেনা (Russian oil imports) হবে না।” মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এই মন্তব্য সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়।

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানান, ভারত সবসময় 'স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি' বা কৌশলগত স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেয়। তিনি বলেন, “স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের অতীত, বর্তমান এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই অংশ। কোনও চুক্তি বা চাপের কারণে আমাদের সিদ্ধান্ত পাল্টাবে না।”

তেলের বাজারে জটিল পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিশ্বজুড়ে তেল কেনাকাটা নির্ভর করে প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির ওপর- তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দেশের স্বার্থ দেখেই।

গত কয়েক বছর ধরে ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War) পরে ভারত অত্যন্ত সস্তায় রুশ তেল কিনে এসেছে। বর্তমানে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৫ শতাংশই আসে রাশিয়া থেকে। তবে একই সঙ্গে ভারত আমেরিকার তেল আমদানিও বাড়িয়েছে, যা এখন প্রায় ১০ শতাংশ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump) কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার অংশ হিসেবে নয়া দিল্লি রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। এর আগেও এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President Donald Trump)। এমনকি 'শাস্তি' হিসেবে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন।

অন্যদিকে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, 'ভারত এমন কোনও আশ্বাস দেয়নি।' তাঁর দাবি, শুধুমাত্র মার্কিন কর্মকর্তারাই এই ধরনের কথা বলছেন।

ভারতও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, দেশের শক্তি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থই তাদের প্রথম বিবেচনার বিষয় হবে। তেল আমদানিতে কোথাও আপোস করবে না। এদিন জয়শঙ্করের বার্তার পর সেই কথাই আরও একবার স্পষ্ট হল।


```