গত ৯ সেপ্টেম্বর জেন-জি’র গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে নিরুদ্দেশ ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী অলি। রটে যায় তিনি বিশেষ বিমানে দুবাই উড়ে গিয়েছেন। সেনা বিমান তাঁকে দেশ ছাড়তে সাহায্য করে। যদিও সেদিনই সন্ধ্যায় সেনা বাহিনী জানায় তারা কোনও নেতা-মন্ত্রীকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করছে না। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শেষ আপডেট: 27 September 2025 16:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গণ-অভ্যুত্থানে (people uprising) গদিচ্যুত (removed from the PM post) হওয়ার আঠারো দিনের মাথায় প্রকাশ্যে এলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি (KP Sharma Oli, Former Prime Minister of Nepal)। শনিবার ভক্তপুরে তাঁর দল সিপিএন-ইউএমএলের (CPN_UML) যুব সংগঠন রাষ্ট্রীয় যুবা সংগঠনের প্রকাশ্য সভায় ভাষণ দিয়েছেন অলি। তিনিই সিপিএন-ইউএমএলের প্রধান।
গত ৯ সেপ্টেম্বর জেন-জি’র গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে নিরুদ্দেশ ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী অলি। রটে যায় তিনি বিশেষ বিমানে দুবাই উড়ে গিয়েছেন। সেনা বিমান তাঁকে দেশ ছাড়তে সাহায্য করে। যদিও সেদিনই সন্ধ্যায় সেনা বাহিনী জানায় তারা কোনও নেতা-মন্ত্রীকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করছে না। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
অলি ছিলেন কোথায়। জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে স্ট্যান্ডবাই থাকা কপ্টারে চেপে অলি সেনা সদরে গিয়ে আশ্রয় নেন। কয়েকদিন সেখানে থাকার পর ব্যক্তিগত নিরাপদ আস্তানায় গিয়ে উঠেছেন। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি দায়িত্ব নেওয়ার পরই সেনা সদর ছেড়ে অন্যত্র চলে যান অলি। তবে এখনও তাঁর আস্তানার কথা গোপন রাখা হচ্ছে। কেন মাত্র আঠারো দিনের মাথায় প্রকাশ্যে এলেন অলি। কেনই বা অন্তর্ধান পর্ব কাটিয়ে দলের যুব সংগঠনের জনসভায় প্রথম ভাষণ দিলেন।
জানা যাচ্ছে, ভোটের বেশিদিন বাকি নেই। ৫ মার্চ পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোট নেওয়া হবে। ফলে এখন থেকেই প্রচারে ঝাঁপাবে সব দল। আর যুব সংগঠনের জনসভায় হাজির হওয়ার কারণ এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের আন্দোলনের মুখে গদি ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। অভিযোগ ছিল দুর্নীতি, স্বজনপোষণ আর খারাপ প্রশাসন পরিচালনা। অলি তাই দেখালেন জেন জি’রা তাঁর সঙ্গে এবং তাঁর দলের পাশেও আছে।