ট্রাম্পের নতুন H-1B ভিসা ফি নিয়ে মুখ খুললেন ইলন মাস্ক। বিদেশি কর্মীদের প্রভাব ও আমেরিকায় কাজের ব্যয় বাড়ার বিষয়ে জেনে নিন বিস্তারিত।

ট্রাম্পের নতুন H-1B ভিসা ফি
শেষ আপডেট: 21 September 2025 10:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন তার প্রাক্তন সহযোগী এবং টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক। সম্প্রতি ট্রাম্প H-1B ভিসার ফি ১ লক্ষ ডলার করার পর, মাস্কের পুরোনো কিছু মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
একসময় মাস্ক H-1B ভিসা পদ্ধতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি টুইটারে (বর্তমানে X) লিখেছিলেন, "আমি এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানুষ, যারা স্পেসএক্স, টেসলা এবং আরও শত শত কোম্পানি তৈরি করেছেন, তারা আমেরিকায় আছেন H-1B ভিসার কারণে।" তিনি আরও বলেছিলেন, এই ভিসাগুলোই আমেরিকাকে শক্তিশালী করেছে। এই মন্তব্যগুলো যখন ট্রাম্পের নতুন ভিসা নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়াচ্ছে, তখন তা আবার সামনে এসেছে।
তবে, একই দিনে মাস্ক তার অবস্থান কিছুটা বদলে বলেছিলেন যে H-1B ভিসা পদ্ধতিতে “বড় ধরনের সংস্কার” প্রয়োজন। তিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানো উচিত এবং তাদের নিয়োগ আরও ব্যয়বহুল করা উচিত, যাতে আমেরিকান কর্মীদের নিয়োগে উৎসাহ বাড়ে।
শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করে যে, এখন থেকে H-1B ভিসার জন্য বার্ষিক ১ লক্ষ ডলার ফি দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীসহ বহু বিদেশি কর্মীর ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। ট্রাম্পের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল আমেরিকান কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়া।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ‘গোল্ড কার্ড ভিসা’ নামে নতুন একটি কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে, যা চাকরিভিত্তিক ভিসাগুলোর পরিবর্তে ব্যবহার করা হবে। এতে অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, শিল্পী এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ সুবিধা থাকবে।
ট্রাম্পের নতুন নীতির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য আমেরিকায় কাজ করার খরচ অনেক বেড়ে যাবে।