
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 19 February 2025 12:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্চ মাসেই পৃথিবীতে ফেরার কথা সুনীতা উইলিয়ামসদের। নাসার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে তাঁদের ফিরিয়ে আনার কাজই চালাচ্ছে স্পেস এক্স। ৮ দিনের জন্য মহাকাশে গিয়ে প্রায় ৮ মাস ধরে সেখানেই রয়েছেন সুনীতারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিস্থিতির জন্য বাইডেন প্রশাসনকে দায়ী করেছিলেন। স্পেস এক্স কর্তা ইলন মাস্কেরও একই বক্তব্য ছিল। এবার তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে নিশানা করলেন বাইডেনকে।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন, বাইডেন প্রশাসনের জন্যই এতদিন ধরে মহাকাশে আটকে থাকতে হচ্ছে সুনীতাদের। তাই ইলন মাস্ককে গুরুদায়িত্ব দিয়ে তাঁদের ফিরিয়ে দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। সেই ইলন এবার বললেন, রাজনৈতিক কারণের জন্যই সুনীতাদের এতদিন মহাকাশে আটকে রাখা হয়েছে! যদিও এমন কাজ করে বাইডেন প্রশাসনের কী লাভ হয়েছে, তা অবশ্য খোলসা করেননি মাস্ক বা ট্রাম্প কেউই।
আপাতত যে খবর মিলেছে, নাসা এবং স্পেস এক্সের রকেট ১২ মার্চ স্পেস স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দেবে। ১৯ মার্চ সুনীতাদের নিয়ে সেই রকেট ফিরে আসার কথা। তবে বাইডেন আমলেই স্পেস এক্সকে সুনীতাদের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই ইস্যুতে মাস্কের বক্তব্য, দায়িত্ব দেওয়া হলেও তাঁদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। অনেক কিছু করতে তারা বাধা পেয়েছেন। তবে এখন পুরোদমে মহাকাশচারীদের ফিরিয়ে আনার কাজ হচ্ছে।
নাসার তরফে জানানো হয়েছে, সুনীতাদের উদ্ধার করতে যে অভিযান শুরু হবে তার নাম ক্রু ১০ মিশন। এই অভিযানে স্পেস স্টেশনে যাবেন নাসার মহাকাশচারী অ্যানি ম্যাকলেন, নিকোল এয়ারস, জাপানের মহাকাশচারী তাকুয়া ওনিসি, রসকসমস কসমোনৌট পেসকভ। সুনীতারা স্পেস স্টেশন ছাড়লে তাঁরাই তাঁদের জায়গা নেবেন।
দীর্ঘ সময়ে মহাকাশে থাকার কারণে মহাকাশচারীদের শরীরে বহু পরিবর্তন আসে। হার্ট, লিভার, পাকস্থলী থেকে শুরু করে বেশিরভাগ অঙ্গে সমস্যা দেখা যায়। কারণ স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে মহাকাশের বিরাট তফাৎ। ঠিক এই জায়গাতেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে সুনীতাদের নিয়ে। কারণ পৃথিবীতে ফিরে একাধিক শারীরিক সমস্যার মুখে পড়তে হবে তাঁদের।