Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

পাকিস্তানি ও আফগানদের আমেরিকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন ট্রাম্প 

এবারেই প্রথম নয়, ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

পাকিস্তানি ও আফগানদের আমেরিকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন ট্রাম্প 

এই তালিকায় আরও কিছু দেশ থাকতে পারে, তবে তাদের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

শেষ আপডেট: 7 March 2025 13:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যত দ্রুত সম্ভব আগামী সপ্তাহ থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে। যদি ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়, তাহলে এটির বড় প্রভাব পড়বে প্রায় দুই লক্ষ আফগানের উপর। যারা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসিত হওয়ার জন্য নির্ধারিত হয়েছেন। ২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর হাজার হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর আবেদন করেন। তাঁদের দাবি, আফগানিস্তানে থাকলে তালিবান তাঁদের উপর প্রতিশোধ নেবে। কারণ তারা তালিবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ২০ বছরের যুদ্ধে আমেরিকার পক্ষে কাজ করেছেন।

আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প এর এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চলেছেন। এই তালিকায় আরও কিছু দেশ থাকতে পারে, তবে তাদের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এবারেই প্রথম নয়, ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। তবে ২০২১ সালে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে কিছু দেশের নাগরিকদের যাচাই-বাছাই করতে সমস্যা হয়, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই, এই দেশগুলোর নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। সূত্রের মতে, আফগানিস্তান সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে এবং পাকিস্তানও সেই তালিকায় যুক্ত হতে পারে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি মূলত ট্রাম্পের নির্বাচনী কৌশলেরই অংশ। ২০২৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম অভিবাসন ও নিরাপত্তা ইস্যুকে বড় করে তুলতে চাইছেন তিনি, ঠিক যেমনটা করেছিলেন এর আগেও।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে কঠোর অভিবাসন নীতি কার্যকর করবেন, তা একাধিক ভোট প্রচারে বলেছিলেন। রিপাবলিকান দলও এ বিষয়ে তাঁর পাশে রয়েছে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক মহলে আমেরিকার ভাবমূর্তি আবারও প্রশ্নের মুখে পড়বে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর কাছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছেন, তাতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হতে পারেন। 

ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। ওই পদক্ষেপ নানা আইনি জটিলতা শেষে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সায় পেয়েছিল। জো বাইডেন ক্ষমতায় এসে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে জাতির বিবেকে কলঙ্কের দাগ বলেও মন্তব্য করেন। গত ২০ জানুয়ারি শপথ নিয়েই ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি সনদে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আগ্রহী সব বিদেশির ব্যাপারে ব্যাপক যাচাই-বাছাই চালাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঝুঁকি বিবেচনায় তালিকা করে কোন কোন দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায়, ১২ মার্চের মধ্যে তা দিতে মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যকে বলা হয়।


```