
স্কিন ক্যানসারের ভ্যাকসিন আসছে।
শেষ আপডেট: 29 April 2024 17:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা বছর ত্বকে কম-বেশি র্যাশ, প্রদাহ বা ঘামাচি আকছার হয়ে থাকে আমাদের। কিন্তু ত্বকের বেশ কিছু সমস্যাকে অবহেলা করলে তা কিন্তু মারাত্মক আকার নিতে পারে। আমাদের ত্বকের নানা স্তর এতই স্পর্শকাতর হয় যে আমাদের অসতর্কতার ফলে ছোট কোনও প্রদাহ বা র্যাশ থেকেও চামড়ায় হতে পারে ক্যানসারের মতো মারণ রোগ। চর্মরোগের নানান ধরন আছে। মূলত তিন ধরনের ত্বকের ক্যানসারের কথাই বলেন চিকিৎসকরা। বেসাল সেল কারসিনোমা, স্কোয়ামোস সেল কারসিনোমা এবং মেলানোমা। এই মেলানোমা গোড়া থেকে সারাতেই এবার ভ্যাকসিন আসতে চলেছে দেশে।
মেলানোমা সারাতে বিশ্বে প্রথম এমআরএনএ ক্যানসার ইমিউনোথেরাপি চালু হতে চলেছে। ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডন এমন ভ্যাকসিন বের করেছে যা মেনালোমার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে। মেসেঞ্জার আরএনএ (আরএনএ টেকনোলজি) টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে মানুষের উপর।
মোডার্না ও মার্ক শার্কের এমআরএনএ টেকনোলজিতে তৈরি হয়েছে ভ্যাকসিন। এই গবেষণার খবর ছাপা হয়েছে দ্য ল্যানসেটে। গবেষকরা বলছেন, ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে এই টিকা মেলানোমার ঝুঁকি কমাতে পারে ৪৯ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে ধারণা ছিল আমেরিকা, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দাদের টাইপ ওয়ান ত্বক। খুব ফর্সা। ওই চামড়ায় মেলানিন কম থাকে। ফলে সরাসরি অতি বেগুনি রশ্মি শরীরে প্রবেশ করে। ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমার ঝুঁকি বেশি। অন্যদিকে, ভারতীয়দের ত্বক হল টাইপ ফোর ফাইভ। এতে মেলানিনের সুরক্ষা থাকে। তাই মেলানোমা জাতীয় ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি কম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে কোনও ত্বকেই এই ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। সাধারণত পায়ের নীচের অংশে মেলানোমা বেশি দেখা যায়। গোড়ালি, পায়ের পাতা, পায়ের আঙুল, যৌনাঙ্গেও এই ধরনের ক্যানসার দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন যে ধরনের হেয়ারডাই ব্যবহার করা হয় বা প্রসাধনী, তাতে এমন রাসায়নিক থাকে যা ত্বকের ক্যানসারের জন্য দায়ী।