
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 14 November 2024 19:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ নভেম্বর, ২০২৪। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। বিশ্বজুড়ে নিঃশব্দ ঘাতকের মতই বাড়ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা। আজকাল বেশিরভাগ মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। এর পিছনে দায়ী অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। অত্যধিক পরিমাণে মানসিক চাপ, ঘুম কম হওয়া, বাইরের খাবারের প্রতি আসক্তি, ধূমপান, মদ্যপানের মতো বদভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। আর ডায়াবেটিস একবার বাসা বাঁধলে সারাজীবন ভোগায়।
রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে তার কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় শরীরে। যেমন সারাক্ষণ ঝিমুনিভাব, খিদে কমে যাওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, পায়ে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। অনেক সময় ত্বকেও তার কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। ডায়াবেটিসের রোগীদের মধ্যে ত্বকের সমস্যা খুব কমন।
রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকের কাছেই বড় চ্যালেঞ্জের। আর যত দিন যাচ্ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়াবেটিসে শুধু ওষুধ খেলেই সুস্থ থাকা যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফস্টাইলের মাধ্যমে বশে রাখতে হয় সুগারকে। সচেতন থাকতে হয় খাওয়া-দাওয়া নিয়ে। আর রোজ নিয়ম করে যোগব্যায়াম করতে হয়।
ডায়াবেটিস যাতে দিনের পর দিন সব ঘরে ঘরে না পৌঁছিয়ে যায়, তার জন্য ডায়াবেটিস অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড ইউ (ডিএওয়াই) ১৭ বছর ধরে সমাজে বিভিন্ন বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। একাধিক মোবাইল ডায়াবেটিস সেন্টারের মাধ্যমে। কীভাবে ডায়াবেটিস ঠেকে দূরে থাকা যায়, তার জন্য একটি ক্যাম্পেইনও শুরু করেছেন। তার নাম রাখা হয়েছে, বেটার লিভিং উইথ ডায়াবেটিস ইন ইন্ডিয়া।
সেই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে, ডায়াবেটিস ধরা পড়লেই বেশ কিছু বিধিনিষেধ নিয়ে আসতে হবে জীবনে। খাওয়াদাওয়া থেকে দৈনন্দিন যাপন, সব ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলতে হবে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না রাখলে এরই হাত ধরে আরও অনেক সমস্যা শুরু হয়। তাই সাবধান থাকা জরুরি। শর্করার মাত্রা যদি এক বার বিপদসীমা পেরিয়ে যায়, তা হলে কিডনিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই সচেতন এবং সাবধান হওয়া জরুরি।