পুষ্টিকর খাবার খাওয়া মানেই শুধু ভালো খাবার বেছে নেওয়া নয়, বরং সঠিকভাবে সেগুলোকে মিলিয়ে মিশিয়ে খাওয়াটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

শেষ আপডেট: 4 June 2025 15:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুষ্টিকর খাবার খাওয়া মানেই শুধু ভালো খাবার বেছে নেওয়া নয়, বরং সঠিকভাবে সেগুলোকে মিলিয়ে মিশিয়ে খাওয়াটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারণাকে বলে ‘ফুড সিনার্জি, যেখানে একাধিক খাবার একসঙ্গে খেলে তারা একে অপরের পুষ্টিগুণ বাড়াতে সাহায্য করে।
হেলথ কোচ মিরুনা ভাস্কর, যিনি নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে খাদ্যাভ্যাস সংক্রান্ত পরামর্শ দেন, তিনি সম্প্রতি এমন ৬টি খাবারের ‘জুটির’ কথা জানিয়েছেন যেগুলো একসঙ্গে শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী।

পালং শাক ও লেবু- পালং শাকে থাকে নন-হিম আয়রন, যা শরীর সহজে শোষণ করতে পারে না। তবে তার সঙ্গে লেবুর ভিটামিন C মিশলে পালংয়ের আয়রনের শোষণ ক্ষমতা ৩ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। উপকার: অ্যানিমিয়া, ক্লান্তি ও চুল পড়া কমায়।

গ্রিন টি ও লেবু- গ্রিন টিতে থাকে ক্যাটেচিন নামক এক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কিন্তু শরীর তার মাত্র ২০% শোষণ করতে পারে। লেবুর অ্যাসিডিটি সেই হার বাড়িয়ে দেয় প্রায় ৮০%। উপকার: ত্বকের উজ্জ্বলতা, ডিটক্স এবং রোগ প্রতিরোধে উপকারী।

টমেটো ও অলিভ অয়েল- টমেটোয় থাকে লাইকোপিন, যা হার্টের খেয়াল রাখে, কিন্তু এটি ফ্যাট-সলিউবল। তাই অলিভ অয়েলে রান্না করলে শোষণ ক্ষমতা ৪ গুণ বেড়ে যায়। উপকার: হৃদরোগ প্রতিরোধ এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষায় উপকারী।

দই ও আমন্ড- দইয়ে থাকে ক্যালসিয়াম, আমন্ডে ম্যাগনেশিয়াম—যা একসঙ্গে খেলে হাড়ের গঠন ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। উপকার: হাড়ের জোর, দাঁতের স্বাস্থ্য এবং হরমোন ব্যালেন্স বজায় রাখে।

রসুন ও মধু- রসুনের প্রাকৃতিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ এবং মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা একসঙ্গে হয়ে ওঠে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। উপকার: ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধ, পেটের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

হলুদ + গোলমরিচ হলুদের প্রধান উপাদান কারকিউমিন, যা শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে না। গোলমরিচের পাইপেরিন কারকিউমিনের শোষণ ক্ষমতা ২০০০% বাড়ায়। উপকার: প্রদাহ কমায়, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়।