
শেষ আপডেট: 20 October 2023 16:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সি-ফুড (seafood) খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, আমাদের শরীর সি-ফুড সহ্য করতে পারে না। পেট থেকে ত্বকে অস্বস্তি হতে শুরু করে। অনেকের তো আবার সি-ফুডে অ্যালার্জিও আছে। চিংড়ি-কাঁকড়া তো বাঙালির হেঁশেলে ছিলই, এখন আবার স্কুইড, অক্টোপাসও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে। টপটপা, বোমলা, সাদা ঘোরাই, দইচাক, বেলে, চ্যালা, সোনাবামের মতো সি-ফিশও এখন ব্রাত্য নয়। স্যান্ডেল ভস্টার চিলি, ব্রয়েল্ড প্রন, টাইগার প্রন স্পেশাল, প্রনচিলি এসব খাবারের নাম শুনে জিভে জল এলেও যে কোনও সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া বা চিংড়ি বেছে ধুয়ে পরিষ্কার করা এবং রাঁধার সঠিক উপায় জানতে হবে। না হলেই বিপদ।
সি-ফুডের ধরন আর পাঁচটা খাবারের থেকে আলাদা। তাই এর সংরক্ষণও আলাদা। ঠিকমতো গাইডলাইন মেনে চললে সি-ফুড সাধারণত পেট বা ত্বকের সমস্যার কারণ হয় না।
১) বাজার থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে আনার পর বেশিক্ষণ ফেলে না রাখাই ভাল। বাড়ি এসেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাছটিকে পরিষ্কার করে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন।
২) যদি বাজার থেকে বরফে রেখে দেওয়া বা ফ্রোজেন সি ফুড কেনেন , তা হলে খেয়াল রাখুন সেগুলো যেন ভাল করে প্রিজার্ভ করা হয়। প্রিজার্ডভ সি ফুড কেনার ক্ষেত্রে তার মোড়ক ভাল করে দেখে নিন। বাড়িতে এনে সেগুলিকে দ্রুত ফ্রিজে ঢোকান।
৩) বাজার থেকে কাঁচা সামুদ্রিক মাছ (Seafood) কেনার সময় ভাল ভাবে দেখে নিন। টাটকা মাছ হলে তবেই কিনুন। গন্ধেই অনেক সময় মাছ টাটকা কিনা বোঝা যায়। খেয়াল করুন।
৪) সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি বা কাঁকড়া খুব ভাল করে পরিষ্কার করতে হয়। সামুদ্রিক মাছে লেড, ক্যাডমিয়াম, সিসার মতো ভারী ধাতু থাকে। এগুলো বেশি পরিমাণে শরীরে ঢুকলে হার্টের রোগ থেকে ব্রেনের নানা রোগ হতে পারে। তাই সি-ফুড দেখেশুনে খাওয়াই ভাল।
৫) সামুদ্রিক মাছে নানারকম প্যারাসইট থাকতে পারে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই ভাল করে পরিষ্কার করে উচ্চতাপে রান্না করে খেতে হবে। আধকাঁচা বা অল্পসিদ্ধ করে খেলে তা বিপজ্জনক হতে পারে.
৬) সামুদ্রিক মাছ বা সি-ফুডে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থাকে। তাই রান্না করা খাবার-দাবারের পাশে কাঁচা সামুদ্রিক মাছ রাখলে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। তাই কখনই কাঁচা মাছ রান্না করা খাবারের কাছাকাছি রাখবেন না। এতে কাঁচা মাছ ও সংরক্ষিত খাবার দুইই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।