Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

ফেয়ারনেস ক্রিমে গাদা গাদা রাসায়নিক? ফর্সা তো দূর চর্মরোগ বাড়বে

বিভিন্ন সংস্থা এখন চটজলদি ফর্সা দেখানোর জন্য নানা রাসায়নিক ঠেসে ক্রিম, বডি লোশন বানাচ্ছে। একবার মাখলে ফর্সা দেখাবে ঠিকই, কিন্তু বারোটা বেজে যাবে ত্বকের।

ফেয়ারনেস ক্রিমে গাদা গাদা রাসায়নিক? ফর্সা তো দূর চর্মরোগ বাড়বে

শেষ আপডেট: 6 January 2024 19:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফর্সা হওয়া নিয়ে বাতিকের শেষ নেই। এই ডিজিটাল যুগেও ফর্সা-কালোর ভেদাভেদ বেশ স্পষ্ট। এখন তো নার্সারির শিশুরাও মায়ের কাছে ফেয়ারনেস ক্রিম কিনে দেওয়ার বায়না ধরে। ইউটিউব ও বিজ্ঞাপনী চমকের জোর এতটাই। ভারতে কালো-ফর্সার সমীকরণ গোলমেলে। বিয়ের বাজারে এখনও অনেক জায়গায় ফর্সা মেয়ের কদরই বেশি। ফর্সা হওয়ার দৌড়ে প্রথম হতে তাই ফেয়ারনেস ক্রিমের চাহিদাও বাড়ছে। বিভিন্ন সংস্থা এখন চটজলদি ফর্সা দেখানোর জন্য নানা রাসায়নিক ঠেসে ক্রিম, বডি লোশন বানাচ্ছে। একবার মাখলে ফর্সা দেখাবে ঠিকই, কিন্তু বারোটা বেজে যাবে ত্বকের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গায়ের রঙ কালো মানে তার ত্বকে ‘মেলানিন’ নামে রঞ্জক পদার্থ, যা ত্বকের বর্ণ নির্ধারণ করে—তা কিছু বেশি রয়েছে। আর এই ‘মেলানিন’ রঞ্জকই ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে বাঁচায়। বলা বাহুল্য, যাদের ত্বকে মেলানিন বেশি, তাদের চর্মরোগের সম্ভাবনা বরং অনেক কম। সে জন্যই দেখা যায়, কালো ত্বকের মানুষের শ্বেতাঙ্গদের চাইতে ত্বকের ক্যানসারের প্রবণতা অনেক কম। বরং শ্বেতাঙ্গদের ত্বকে কালো দাগ, মেচেদা, স্পটের মাত্রা অনেক বেশি।

মেয়েরাই শুধু নয়, পুরুষেরাও এখন দেদার ব্যবহার করেন ফর্সা হওয়ার ক্রিম। এমনকী কয়েক বছরের শিশুদেরও এই ধরনের ক্রিম মাখানোর প্রবণতা তৈরি হচ্ছে কোনও কোনও মায়ের, যার ফল দাঁড়াচ্ছে মারাত্মক। চিকিৎসকরা বলছেন, ফেয়ারনেস ক্রিমে প্রচুর পরিমাণে স্টেরয়েড থাকে যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাঙ্ঘাতিক। ডাক্তারবাবুরাই বলছেন, ত্বকের সমস্যা নিয়ে যে সব রোগীরা আসছেন, তাঁদের একটা বড় অংশ ‘স্টেরয়েড অ্যাবিউজ’-এর শিকার। এ ছাড়াও চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া ফর্সা হওয়ার বিভিন্ন ওষুধ কিংবা ক্রিম ওষুধের দোকান থেকে কিনে ব্যবহার করেন অনেকেই। ওষুধ কিংবা ক্রিম ব্যবহার করে ফর্সা হওয়া যায় না, উল্টে ত্বকের ক্ষতি হয়।

একাধিক ফর্সা হওয়ার ক্রিমে উপাদান হিসাবে অ্যাকটিভ কার্বন থাকে। যে কোনও জৈবিক পদার্থ পুড়িয়ে, তার থেকে অ্যাকটিভ কার্বন পাওয়া যায়। ফর্সা হওয়ার ক্রিমে ব্যবহৃত অ্যাকটিভ কার্বন কিংবা মাইক্রো কার্বনের মধ্যে ‘ন্যানো কার্বন’ থাকে। এই ন্যানো কার্বন আলো এবং হাওয়ার সংস্পর্শে এসে ‘অ্যাকটিভ অক্সিজেন’-এ বদলে যায়, যা চামড়ার পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। দিনের পর দিন এই ধরনের রাসায়নিক ত্বকের কোষে জমতে থাকলে তা ত্বকের স্বাস্থ্যকর কোষগুলোকে মেরে ফেলে। ফলে সেই জায়গায় ক্যানসারের লক্ষণ দেখা দিতে থাকে।

ডাক্তারদের মতে, শরীরের কিছু অংশ সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসে না। তাই সেই অংশের রং সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসা ত্বকের রঙের তুলনায় বেশি উজ্জ্বল হয়। সূর্যরশ্মির স্পর্শে আসা ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু কোনও ক্রিম ত্বককে ফর্সা করতে পারে না। যদি কোনও ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কোনও ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের কথা বলা হয়, তা হলে সেটা কখনই ব্যবহার করা উচিত নয়। এই ধরনের ক্রিমের ব্যবহারের জেরে নানা অ্যালার্জিও দেখা দিতে পারে।


```