Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়ের

মেয়েদের কমবয়সে মোটা হয়ে যাওয়ার কারণ কি পিসিওএস? ১০ জনের ৬ জনই ভুগছে এই রোগে

পলিসিস্টিক ওভারি হয়েছে কিনা, হলে তার কী কী লক্ষণ দেখা দেবে, কীভাবে চিকিৎসায় দ্রুত সমাধান মিলবে, সে নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

মেয়েদের কমবয়সে মোটা হয়ে যাওয়ার কারণ কি পিসিওএস? ১০ জনের ৬ জনই ভুগছে এই রোগে

শেষ আপডেট: 17 January 2024 14:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজকালকার দিনে প্রায় বেশিরভাগ মহিলাদেরই অন্যতম সমস্যা পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বা পিসিওএস। বলতে গেলে মহামারীর মতোই এই অসুখ ছড়িয়ে পড়েছে ঘরে ঘরে। ডিম্বাশয়ে একাধিক ছোট ছোট সিস্ট থাকাকেই বলে পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম অথবা পিসিওডি বা পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ। পিসিওএস হলে খুব আতঙ্কে ভুগতে হবে তা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং সঠিক সময় চিকিৎসা হলে দ্রুত রোগমুক্তি হয়। পলিসিস্টিক ওভারি হয়েছে কিনা, হলে তার কী কী লক্ষণ দেখা দেবে, কীভাবে চিকিৎসায় দ্রুত সমাধান মিলবে, সে নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম কী? কেন হয়?

অনেকেই সোনোগ্রাফি করিয়ে এসে বলেন জরায়ুতে সিস্ট হয়েছে। আসলে এটা কোনও সিস্ট বা টিউমার নয়। আসলে হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে পলিসিস্টিক ওভারি হতে পারে। মেয়েদের শরীরে যখন পুরুষ হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায় তখন ওভারির মধ্যে ছোট ছোট সিস্টের মতো দেখা যায়। পিসিওএস হলে কেউ কেউ কিছুটা মোটা হয়ে যায়, শরীরে লোমের পরিমাণ বেশি থাকে।  মেনস্ট্রুয়াল ইরেগুলারিটি থাকে।  ব্রণর সমস্যা ইত্যাদি থাকে।  প্রথমেই অনিয়মিত পিরিয়ড বা পিরিয়ড একেবারেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও ঘটতে পারে। তাছাড়া আরও নানা শারীরিক সমস্যা হতে পারে। আজকাল ১০ জন টিএনএজ মেয়ের মধ্যে ৬ জনেরই পলিসিস্টিক ওভারি হচ্ছে।

What Is Polycystic Ovary Syndrome?

টিনএজে মোটা হয়ে যাওয়ার কারণও কি পিসিওএস?

এখন বেশিরভাগ কমবয়সি মেয়ের মধ্যেই এই সমস্যা দেখা দেয়। হয় খুব মোটা হয়ে যায়, না হলে সারা মুখে গুটি গুটি ব্রন বের হতে দেখা যায়। মুখে অবাঞ্চিত চুল গজায়। মায়েদের বলতে শোনা যায়, তাঁরা কমবয়সে এমন ছিলেন না, কিন্তু এখন কৈশোরেই চেহারা ভারী হয়ে যাচ্ছে, ওজন বাড়ছে। পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম এর জন্য ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ দায়ী। এর জন্য পিরিয়ড সাইকেলও অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।

এই পিসিওডির জন্যই কি মুখেও ব্রণ, অ্যাকনের সমস্যা হয়?

চিকিৎসকরা বলছেন, পিসিওডি-র জন্য ব্রণ-র সমস্যা খুব হয়। কমবয়সি মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে সারা মুখে গুটি গুটি ব্রণ বের হতে দেখা যায়। অনিয়মিত পিরিয়ডস, অবাঞ্ছিত হেয়ার গ্রোথ, অ্যাকনের মতো সমস্যা তো আছেই।

শুধু ব্রণ নয়, ফেসিয়াল হেয়ার নিয়েও জেরবার বহু মেয়ে

মুখে অবাঞ্চিত লোম নিয়ে মেয়েরা খুব উদ্বেগে থাকেন। অনেকেই ডাক্তারের কাছে যান ব্রণ ও ফেসিয়াল হেয়ারের সমস্যা নিয়ে। মুখে ছেলেদের মতো লোম গজিয়ে উঠলে তা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার কারণ। মেয়েরা বলেন, তাঁদের বার বার ওয়াক্সিং করতে হচ্ছে বা ছেলেদের মতো সেভ করতে হচ্ছে।

আসলে পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ হলে মেয়েদের শরীরে পুরুষ হরমোনের মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে ত্বকের ধরনও ছেলেদের মতো কিছুটা হয়ে যায়। তৈলাক্ত ত্বক, থুতনির কাছে বা গালে লোম গজিয়ে ওঠা ইত্যাদি। সেক্ষেত্রে নন-হরমোনাল কিছু ওষুধ দিয়ে ট্রিটমেন্ট করা হয়। এমন কিছু ওষুধ আছে যেগুলি দিলে হরমোনের ব্যালান্স বজায় থাকে, ফলে অতিরিক্ত ওজন বশে থাকে, ব্রণ বা ফেসিয়াল হেয়ারের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। মেনস্ট্রুয়াল সাইকেল নিয়মে আসে।


পিসিওএসের কারণে কি ফার্টিলিটিরও সমস্যা হতে পারে?

পিসিওএস থেকে বন্ধ্যত্বের সমস্যা হতে পারে। পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়ে যায়। ওভুলেশন হয় না মেয়েদের। ফলে জরায়ুতে ডিম তৈরি হয় না ঠিক করে। এর থেকে ভবিষ্যতে বন্ধ্যত্বের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এমন কিছু ওষুধ আছে যা দিয়ে ওভুলেশন করানো যেতে পারে। যে মেয়েদের শুধু পলিসিস্টিক ওভারি ডিজিজ আছে, অন্য আর কোনও শারীরিক সমস্যা নেই, তাদের এই ওষুধের থেরাপিতে রাখা যেতে পারে। দেখা গেছে, এতে ৬২-৭০ শতাংশ লাভ হয়।

চিকিৎসা কী?

পিসিওএস ক্রনিক ডিজিজ। কিছু ট্রিটমেন্টে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। প্রথমত লাইফস্টাইল মডিফিকেশন। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, স্ট্রেস না নেওয়া, ওজন কমানো ইত্যাদি। পিরিয়ড চলাকালীন দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনে কিছু রক্ত পরীক্ষা করা হয়--এলএইচ, এফএসএইচ, প্রোল্যাক্টিন, থাইরয়েড এবং টেস্টোস্টেরন টেস্ট করা হয়। এর সঙ্গে আলট্রাসাউন্ড করা হয়।


```