
ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকা - ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 3 May 2024 07:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে যখন দেশ আতঙ্কিত তখন স্বস্তি মেলে ভ্যাকসিনের খবরে। মূলত কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন টিকা দেওয়া শুরু হয় ভারতে। যদিও অধিকাংশ মানুষই অ্যাস্ট্রজেনেকার টিকা নিয়েছিলেন যা ভারতে কোভিশিল্ড নামে বানিয়েছে সিরাম ইন্সটিটিউট। এখন অ্যাস্ট্রজেনেকা স্বীকার করেছে যে, তাঁদের ভ্যাকসিন থেকে বিরল সাইড এফেক্ট হতে পারে। এই খবরে যখন দেশ তোলপাড় তখন বিবৃতি দিল কোভ্যাক্সিন কর্তৃপক্ষ।
'আমাদের ভ্যাকসিনে কোনও সাইড এফেক্ট নেই। প্রথমে নিরাপত্তা এবং তারপর কার্যকারিতার উপর ফোকাস করেই কোভ্যাক্সিন বানানো হয়েছিল।' এমনই বার্তা দিয়েছে কোভ্যাক্সিন টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক। এক্স হ্যান্ডেলে এই নিয়ে পোস্ট করে সংস্থার আরও দাবি, কোভিড ১৯ টিকাদান কর্মসূচিতে কোভ্যাক্সিনই একমাত্র ভ্যাকসিন যা ভারতে কার্যকারিতার পরীক্ষা চালিয়েছিল। ভারত বায়োটেক স্পষ্ট দাবি করেছে, তাঁদের ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত ঘটনার রিপোর্ট এখনও পর্যন্ত নেই।
@bharatbiotech announcement - #COVAXIN was developed with a single-minded focus on #safety first, followed by #efficacy. #BharatBiotech #COVID19 pic.twitter.com/DgO2hfKu4y
— Bharat Biotech (@BharatBiotech) May 2, 2024
কোভিশিল্ড যারা নিয়েছেন তাঁদের অনেকের মধ্যে থ্রম্বোসিসের সঙ্গেই থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ একদিকে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করেছে, অন্যদিকে দ্রুত কমেছে প্লেটলেটের সংখ্যা। এই বিরল রোগে কারণেও মৃত্যুও হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল আগেই।
এতদিন ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা এই ব্যাপারে কোনও স্বীকারোক্তি দেয়নি। সম্প্রতি ব্রিটেন আদালতে তাঁরা স্বীকার করে দেয় যে, এমনটা হতে পারে তাঁদের ভ্যাকসিন থেকে, যদিও সেটা বিরল ঘটনা।
কোভিশিল্ড টিকায় ভারতীয়দের কি বিরল রোগ হতে পারে? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১০ লাখের মধ্যে একজনের ভ্যাকসিনের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার মানে বড় সংখ্যক মানুষ ভ্যাকসিনের ডোজে সুরক্ষিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সর্বোচ্চ ৬ মাস পর স্পষ্ট হয়ে যায়। ভ্যাকসিন পাওয়ার দুই-আড়াই বছর কেটে গিয়েছে, এতদিনে যখন কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তাই টিকায় মারাত্মক কিছু হবে তেমন ঝুঁকি নেই।