উত্তরবঙ্গের লেপচা সংস্কৃতি, পাহাড় আর প্রকৃতির সোনালি মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা অফবিট স্বর্গ মংপং, যেখানে নীরবতা আর নৈসর্গিকতা ভ্রমণকে করে তুলবে অবিস্মরণীয়।

জঙ্গলে ঘেরা মংপং
শেষ আপডেট: 3 December 2025 17:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজনবাড়ি, লেপচাজগৎ, সুখিয়াপোখড়ি অফবিট হিসেবে বেশ জনপ্রিয় অনেকদিন ধরে। কম-বেশি সবাই পৌঁছে যান যেকোনও সিজনে। এই সব জায়গায় না যেতে চাইলে পৌঁছে যেতে পারেন 'মংপং' (Best Homestays in Monpong)।
চা বাগানে ঘেরা, সাদা মেঘের আনাগোনা চারিদিকে, অপূর্ব ল্যান্ডস্কেপ। লেপচারা থাকেন, খুব বেশি হোমস্টে (Best Homestays in Monpong) নেই ফলে এখনও আনটাচড। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মিলেমিশে কিছুদিন দারুণভাবে কাটাতে পারেন।
মংপংয়ের আবহাওয়া শান্ত। পাহাড়ের ঢালু পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে কিংবা ছোট্ট নদীর ধারে বসে প্রকৃতির শব্দ শুনতে পারবেন। কাছেই রয়েছে তিস্তা (Teesta River)। নদীর ধারের ল্যান্ডস্কেপ ফোটোগ্রাফারদের (Landscape Photography) কাছে স্বর্গের মতো। বিস্তীর্ণ চা বাগান, পাহাড়ি ঢাল আর নদীর বুক ছুঁয়ে বয়ে চলা শীতল হাওয়া আপনাকে যে অভিজ্ঞতা দেবে তা থেকে যাবে সারাজীবন।
এখানকার স্থানীয় বাজারে লেপচা হস্তশিল্প (Handicrafts), রঙিন কাপড় (Traditional Fabrics) এবং পাটের তৈরি সামগ্রী সহজেই পেয়ে যাবেন। পাহাড়ি ছোট ছোট গ্রাম বা বসতিগুলিতে ঢুঁ মারলে স্থানীয়দের জীবনযাপন, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা যাবে।
যদিও মংপংয়ে বড় হোটেল বা রিসর্টের (Resorts) সংখ্যা কম, তবে ছোট অতিথিশালা (Guest House) এবং হোমস্টে (Homestay) রয়েছে, মন্দ লাগবে না। ভোরে ঘুম ভেঙে কুয়াশা (Fog) মাখা সকাল দেখা, সূর্যোদয়ের (Sunrise View) মন ছুঁয়ে যাওয়া আলো রং, সবটাই ছবির মতো মনে হতে পারে।
গেলে কোথায় থাকবেন?
নেচার রিসর্ট-মংপং
ওই যে খুব বেশি অপশন নেই। গেলে থাকতে পারেন বন দফতরের নেচার রিসর্ট-মংপং-এ (WBFDC Nature Resort - Mongpong)। কটেজ করা আছে, অনেকে মিলেও থাকতে পারবেন, অন্যরকম অভিজ্ঞতা হবে। সরকারি যেহেতু, আগে থেকে বুক করতে হবে। বন দফতরের ওয়েবসাইটে তথ্য পেয়ে যাবেন। গেলে সকলে মূলত এখানেই থাকেন।
এছাড়াও ছোটখাটো কিছু হোমস্টে (Best Homestays in Monpong) আছে, আপনারা চাইলে পৌঁছেও দেখে নিতে পারেন।