
শেষ আপডেট: 8 February 2023 10:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাঙালি, আর বেড়ানো (travel) তো পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। বঙ্গের বাসিন্দাদের নাকি পায়ের তলায় সর্ষে, ব্যাগও গোছানোই থাকে। হাতে দিনকয়েকের ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়ে ঘুরতে। দেখতে দেখতে নতুন বছর পড়ে ১ মাস কেটে গেছে। শীতের ছুটিতে অনেকেই এদিক ওদিক ঘুরে এসেছেন হয়তো। কিন্তু বেড়ানোর নেশা কি আর ফুরোয়? তাই বেড়িয়ে ফেরার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় পরের বেড়ানোর পরিকল্পনা। আজ যে জায়গার কথা বলব, তাতে হাতে মাত্র ১ দিন ছুটি থাকলেই হবে। কলকাতা থেকে সামান্যই দূরের এই জায়গায় যেদিন আসবেন, সেদিনই ফিরে আসতে পারবেন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা লাইনের একটি ছোট্ট জায়গা কুলপি (Kulpi)। কুলপি আসলে একটি নদীর নাম। কলকাতা থেকে মাত্র ৭৫ কিলোমিটার দূরের একটি ছোট্ট গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। নদীর পাড় বরাবর সুবিস্তীর্ণ তটভূমি ধরে হেঁটে হেঁটে যেতে মন থেকে দূর হয়ে যাবে বাড়ির চিন্তা, অফিসের চাপ।
কলকাতা থেকে গাড়ি নিয়ে কুলপি নদীর ধারে যাওয়া যায়। এছাড়া শিয়ালদহ থেকে কাকদ্বীপ এবং নামখানা লোকালে চেপেও এখানে পৌঁছে যেতে পারেন। ট্রেনের ভাড়া মাত্র ১৫ টাকা। আড়াই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই নিশ্চিন্তে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায়। কুলপি স্টেশনে নেমে কুলপি মোড় যেতে হবে প্রথমে। সেখান থেকে টোটো করে পৌঁছে যাওয়া যাবে কুলপি নদীর ধারে।
এই জায়গাটি মূলত পিকনিক স্পট হিসেবেই পরিচিত। ফলে রাত্রিবাসের জন্য কোনও হোটেল নেই। রেস্তোরাঁও নেই তেমন। তাই কুলপিতে যেতে চাইলে আপনাকে খাবার সঙ্গে করেই নিয়ে যেতে হবে। ফিরতেও হবে সেই দিনই। নিতান্তই থাকতে চাইলে ডায়মন্ড হারবার কিংবা কাকদ্বীপে হোটেল বুক করা যেতে পারে।
কুলপিতে দেখার জন্য রয়েছে একটি ইটভাটা। ফলে ইট তৈরির পদ্ধতি স্বচক্ষে দেখার সুযোগ মিলবে। এছাড়া নদীতে জেলেদের জাল ফেলা দেখতে দেখতেও সময় কেটে যাবে। চাইলে নদীতে অল্পক্ষণের জন্য নৌকাবিহারেরও সুযোগ হয়ে যেতে পারে। সব মিলিয়ে একবেলার ছোট্ট বেড়ানো স্মৃতিতে অমলিন রয়ে যাবে বহুদিন।
তুরস্কে কেন বারবার ভূমিকম্প, কেন এমন অশান্ত মাটির তলায় ঘুমিয়ে থাকা প্লেটগুলি?