
শেষ আপডেট: 16 October 2023 13:36
প্যারিসের আকাশটা সেদিন রোদ ঝলমল। এমন দিন সচরাচর পাওয়া যায় না এই সময়টায়। অন্য দিন হলে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েই মন ভাল হয়ে যেত সুস্মিতার। নরম তুলতুলে উলেন স্কার্ফটা গায়ে জড়িয়ে এক কাপ গরম কফি নিয়ে ব্যালকনিতে বসত। আজও হয়তো তাই করত কিন্তু অমিতাভকে দেখেই মেজাজটা ...
'বাহ বেশ রোদ উঠেছে। বেশ বড় করে এক কাপ কফি দাও সুস্মি' বলতে বলতে ব্যালকনিতে আরাম করে বসল অমিতাভ। দেখে মেজাজটা আরও গরম হয়ে গেল সুস্মিতার।
'কোনও আক্কেল আছে তোমার? আজ বাদে কাল মেয়েটার বিয়ে। বিয়ের ঠিক দু'দিন আগে কলকাতায় পৌঁছব আমরা। পরের দিন থেকেই মেহেন্দি, সঙ্গীত, আইবুড়ো ভাত, আশীর্বাদ, বিয়ে, বউ ভাত, রিসেপশন। কী করে যে কী হবে জানি না। আর তুমি গা এলিয়ে বসে কফি অর্ডার করছ? আশ্চর্য।'
'আরে চিন্তা করছ কেন ডিয়ার। ওখানে তো এক বছর আগে থেকে ব্যাঙ্কোয়েট বুকিং টু কেটারারের আডভান্স সব করা আছে। ভার্চুয়াল নেমন্তন্ন আমরা করে ফেলেছি অনেকটাই। কার্ড দিয়ে নেমন্তন্নর ভার তো ভাই সামলাচ্ছে। কেনাকাটায় তো আমার শালী মহারানি আছেনই। তাহলে?'
'তিরিশ বছর ধরে এখানে থেকে থেকে তোমার মাথাটাই কাজ করে না। বিয়ের আসল জিনিস গয়না। সেটা কী করে হবে? অনেকবার বলেছিলাম আগে একবার কলকাতায় যাই। ধীরেসুস্থে ডিজাইন দেখি পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সে। হাতের মাপ মতো না পেলে অর্ডার দিয়ে আসি। কিচ্ছু হল না। বিয়ের দু'দিন আগে গিয়ে কখন কী করব?'
বাবা মায়ের তর্কাতর্কিতে ঘুম ভেঙে গেছিল শ্রেয়ার।
মুখ বাড়িয়ে বলল, 'আরে এত্তো সুন্দর একটা ওয়েদার আজ, আর তোমরা সক্কাল থেকে কি কিচিরমিচির জুড়লে।'
'আমি না। তোর মা তোর বিয়ের গয়না কেনা নিয়ে টেনশন করছে আর চ্যাঁচাচ্ছে।'
'ওহো, ডোন্ট ওরি মা। আমি আছি তোমার প্রব্লেম সলভ করার জন্য। বলো, কোন জুয়েলারের গয়না কিনতে চাও তুমি?'
'আমার কাছে এক এবং একমাত্র জুয়েলার পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স। পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স ছাড়া গয়না কেনার কথা ভাবতেও পারি নারে। তোর দাদান আমার বিয়ের গয়নাও তো পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স থেকেই কিনেছিল। আমাদের পরিবারের অদ্ভুত একটা বিশ্বাস আর ভরসার জায়গা পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স।'
'তাহলে তো আরও সহজ হয়ে গেল মা। পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোর তো আছেই। আজ রাতে আমার সঙ্গে বসবে। দুজনে মিলে অনেক ডিজাইন দেখব। তারপর অর্ডার দেবো।'
'হ্যাঁ রে অনলাইনে ভারী ওজনের গয়না পাওয়া যায়! মানে বিয়েতে পরার মতো হেভি জুয়েলারি। আমি তো জানতাম অনলাইনে কম সোনার ছোটখাটো গয়না কেনে সবাই।'
বিজ্ঞের মতো ঘাড় নেড়ে শ্রেয়া বলল, 'ভুল ধারণা। পুণেতে আমার বন্ধু তিতিরের বিয়ে হল না কয়েক মাস আগে, আন্টিও তো তোমার মতো পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স ছাড়া গয়না কিনবে না। ওর কাছেই শুনলাম বিয়ের গয়নার পুরো সেট পুণেতে ডেলিভারি দিয়েছে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স।'
'ওমা তাই নাকি! আমরা তাহলে এখান থেকে অর্ডার করব আর কলকাতার বাড়িতে ডেলিভারি নেব' বলল সুস্মিতা।
রাতে শ্রেয়া আর সুস্মিতা বসে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোর দেখছিল। ডিজাইন দেখে দু'জনেই রীতিমত উত্তেজিত। তারজালি নকশার সঙ্গে কী সুন্দর মিশেছে মিনাকারি মোটিফ। ফ্লোরাল কাজের নেকলেসে মেরুন মিনায় তৈরি বড় পাতার ডিজাইন দেখে মুগ্ধ সুস্মিতা বলল, 'এটা তোকে খুব মানাবে শ্রেয়া। ইয়ার রিংটাও বেশ বড়সড়। এটা নেব। কত গ্রাম সোনা আছে দেখ তো।'
শ্রেয়ার চোখ পড়ল আর একটা দারুণ মিনার কাজ করা নেকপিসে। 'ওয়াও' বলে লাফিয়ে উঠল শ্রেয়া। সুস্মিতাও অবাক চোখে তাকিয়ে বললেন, 'শ্রেয়া এটা তো পিস অফ আর্ট রে। কলমকারি প্রিন্টের আদলে তৈরি। এটা নিতেই হবে। দাম দেখ চটপট।'
এভাবেই চলতে লাগল মা মেয়ের গয়না বাছাই পর্ব। অর্ডারও প্লেস হতে লাগল পরের পর।
অমিতাভ ইয়ার্কি মেরে বলল, 'এখন তো মনে হচ্ছে বিয়ের দিন পৌঁছলেও হত। 'সত্যিই যাঁরা দূরে থাকেন, যাঁরা শোরুমে গিয়ে গয়না কেনার সুযোগ পান না, তাঁদের মুশকিল আসান করেছে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স অনলাইন স্টোর।
সাইটটা খুব সুন্দর করে সাজানো। সোনার ওজন, মেকিং চার্জ, ডায়মন্ড বা কোনও স্টোন সেট করা থাকলে তার ডিটেলস-সব দেওয়া আছে প্রতিটা গয়নার সঙ্গে। বাজেট মতো দেখে অর্ডার প্লেস করলেই বাড়ি বসে পেয়ে যাবেন গয়না। ভারতের যে কোনও প্রান্তে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্স অনলাইন স্টোর গয়না ডেলিভারি দেয়।
'সিকিওরিটি নিয়েও চিন্তা নেই ক্রেতার, সব দায়দায়িত্ব আমাদের' বললেন পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের যুগ্ম ম্যানেজিং ডিরেক্টর শুভ্র চন্দ্র। শুভ্র আরও জানালেন, 'দেশের বেশ কিছু বড় শহরে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের শোরুম থাকলেও দেশের সব প্রান্তের ক্রেতার চাহিদা পূরণ করেছে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোর। মানুষ আমাদের সংস্থাকে বিশ্বাস করেন, ভরসা করেন। আমরাও চেষ্টা করি যাতে দেশের সব প্রান্তের ক্রেতা ঘরে বসে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের গয়না পেয়ে যান।'
শুধু সোনার ভারী ওজনের গয়নাই নয়, ডায়মন্ড জুয়েলারিও পাবেন ঘরে বসে। আর ডিজাইন? শুধু অনলাইনের ক্রেতাদের জন্য অসাধারণ ডিজাইন করছেন পি সি চন্দ্র জুযেলার্সের অলংকারশিল্পীরা। সূক্ষ্ম তারজালির কাজ, অভিনব মিনার কাজ, নতুন ধরনের স্টোন সেটিং জমকালো জুয়েলারি রয়েছে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোরে। মোটিফেও ইউনিকনেস আছে। যেমন ধরুন, গয়নায় পাখির মোটিফ বললেই ময়ূরের কথা মনে আসে। এখানে হাঁস, বক, টিয়ার ব্যবহার অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মাছ, হাতি, ফুল,পাতা লতার ডিজাইন মুগ্ধ করবে আপনাকে। রংবেরঙের মিনার ফুল দেওয়া বালা থেকে চোখ ফেরানো মুশকিল।
যাই হোক শুধু বর্ণনা পড়ে নয় এইসব এক্সক্লুসিভ গয়না দেখতে হলে আপনাকে চোখ রাখতেই হবে পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের অনলাইন স্টোরে। বাজেট বুঝে পছন্দ করে অর্ডার করতে হবে। দেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন নির্ধারিত সময়ে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের গয়নাগাটি।