১৪ নভেম্বর মানেই শিশু দিবস, এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু একই দিনে যে আরও দু’টি বিশেষ দিবসও রয়েছে, সেটা অনেকেরই অজানা! একদিকে রসগোল্লা দিবস, অন্যদিকে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস।

রসগোল্লা দিবস
শেষ আপডেট: 14 November 2025 19:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ নভেম্বর মানেই শিশু দিবস, এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু একই দিনে যে আরও দু’টি বিশেষ দিবসও রয়েছে, সেটা অনেকেরই অজানা! একদিকে রসগোল্লা দিবস, অন্যদিকে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। অর্থাৎ একদিকে ডাক্তারবাবু বলছেন “চিনি কম খান”, আর অন্যদিকে বাংলার মিষ্টিদোকানগুলো বলছে “আরে আজ রসগোল্লা না খেলে হয় নাকি!”
কেন ১৪ নভেম্বর রসগোল্লা দিবস?
রসগোল্লার সত্ত্ব কার? বাংলা না উড়িষ্যার? সেই নিয়ে লড়াই তো দীর্ঘদিনের। দুই রাজ্যই এতদিন রসগোল্লাকে তার রাজ্যের নিজস্ব মিষ্টি বলে দাবি করে এসেছে। কোথাও ইতিহাস, কোথাও আদিখ্যেতা, কোথাও গর্ব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিআই স্বীকৃতি পায় বাংলা এই মিষ্টি। তাই এই দিনটিকে শুধুই ‘শিশু দিবস’ বা ‘ডায়াবেটিস ডে’ নয়, বাঙালি মনে রাখে ‘রসগোল্লা দিবস’ হিসেবেও।
হরেক স্বাদের রসগোল্লায় মজেছে কলকাতা
আজও মিষ্টির দোকানগুলিতে তাই ভিড় চোখে পড়ার মতো। জয়নগর হোক, বা দক্ষিণ বারাসত, প্রতিটি মিষ্টির দোকানই সেজেছে অভিনব স্বাদের রসগোল্লায়। সাদা রসগোল্লার পাশাপাশি দোকানের তাক দখল করেছে পেস্তা, কমলা, ব্ল্যাক কারেন্ট, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, কেশর, গন্ধরাজ, বাটারস্কচ, আনারস, আম, চকোলেট, গুড়—এমনকি কাঁচালঙ্কা আর পুদিনার সুগন্ধ মেশানো রসগোল্লাও।
ক্রেতার উৎসাহও চোখে পড়ার মতো। সারা বছর মেলে রসগোল্লা, কিন্তু এই দিনে যেন তার আলাদা আদর। কোথাও মিষ্টিমুখ করানোর বিনামূল্যে ব্যবস্থা, কোথাও আবার বিশেষ ‘রসগোল্লা ফেস্টিভ্যাল’-এর আয়োজন।
জন্মের পর প্রথম মিষ্টিমুখে যেমন থাকে রসগোল্লা, তেমনই শেষযাত্রায় ঘরে ফেরার পরও হাতে দেওয়া হয় এই তুলতুলে ছানার গোল্লা। জন্ম-মৃত্যুর চক্রের মধ্যেও তাই রসগোল্লা বাঙালির সঙ্গী।