মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থীর এই গান বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। পরবর্তী কালে শুধু গণেশ চতুর্থীতে নয়, অন্যান্য বিভিন্ন পুজোআচ্চার দিনেও এই গান গাওয়া শুরু হয়। খুব সহজ ভাষায় লেখা, সুরও একেবারে সোজা— তাই ছোট থেকে বড়, সবাই গেয়ে ফেলতে পারে। আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ভক্তির এই গান।

Ganesh Chaturthi
শেষ আপডেট: 27 August 2025 18:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: “জয় গণেশ, জয় গণেশ, জয় গণেশ দেবা…”
এই গানটা বাজলেই চারদিকে যেন গণেশপুজোর আবহ তৈরি হয়ে যায়। মণ্ডপে ঢাক-ঢোল, আলো ঝলমলে সাজ, আর তার মাঝেই ভেসে আসে এই ভজনের সুর।
মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থীর এই গান বহুদিন ধরেই জনপ্রিয়। পরবর্তী কালে শুধু গণেশ চতুর্থীতে নয়, অন্যান্য বিভিন্ন পুজোআচ্চার দিনেও এই গান গাওয়া শুরু হয়। খুব সহজ ভাষায় লেখা, সুরও একেবারে সোজা— তাই ছোট থেকে বড়, সবাই গেয়ে ফেলতে পারে। আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ভক্তির এই গান।
তবে একটা মজার তথ্য আছে। ১৯৫৪ সালে হিন্দি সিনেমা “মহা পূজা”-তে এই গানটা ব্যবহার করা হয়। সেই সময় গানের কথা লিখেছিলেন রমেশ গুপ্তা, আর সুর দিয়েছিলেন অবিনাশ ব্যাস। সিনেমার মাধ্যমে সারা ভারতে ছড়িয়ে যায় গানটা।
এভাবেই মূলত মুম্বইয়ের এই গান, টিভি-ফিল্ম এবং পরে ইউটিউব— এসব মাধ্যমের হাত ধরেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গত কয়েক বছর আগে কলকাতায় যখন গণেশ পুজো জনপ্রিয় হতে শুরু করল, তখন থেকেই “জয় গণেশ দেবা” হয়ে গেল অপরিহার্য। এখন তো বাংলার প্যান্ডেলেও প্রতিমা প্রতিষ্ঠা থেকে বিসর্জন— সবক্ষেত্রেই বাজে এই গান।
আজ ইউটিউবে এই গানের রিমিক্স ভার্সন, বাচ্চাদের অ্যানিমেশন ভিডিও, সবই আছে। কিন্তু ভক্তি আর আবেগ? সেটা কিন্তু একই রকম। কারণ এই গান শুধু একটা ভজন নয়, এটা আসলে মানুষের আশা-প্রার্থনার প্রতীক। এই গান বলে, “বাধা দূর করো, মঙ্গল করো।”