
পুলিশ দিয়ে হবে শুটিং?
শেষ আপডেট: 19 May 2025 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯ মে তারিখটি বেশ কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফেডারেশনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন কয়েকজন পরিচালক। এই তারিখে সুদেষ্ণা রায়ের মামলা সহ অন্যান্য পরিচালকদের মামলার শুনানি ছিল। কলকাতা হাইকোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনারও সাক্ষী, যেখানে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরকে ফেডারেশন এবং পরিচালকদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব মেটাতে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
কী হল ১৯ মে?
টালিগঞ্জের স্টুডিয়োপাড়ায় কলাকুশলীদের সংগঠন এবং পরিচালক-প্রযোজকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মেটাতে রাজ্য সরকারকেই পদক্ষেপ নিতে হবে বলে হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত সম্ভবকর হয়নি। সরকারপক্ষের আইনজীবী Adjournment অ্যাপিল করেন। আগামী ১৬ জুন অবধি সময় মিলেছে।
বিচারপতি অমৃতা সিংহ জানান, অভিযোগকারী পরিচালক শুটিং সমস্যার সম্মুখীন হন, তিনি তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের সচিবকে অভিযোগ জানাতে পারেন। প্রযোজকদের কাজে যেন বাধা দেওয়া না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের সচিবকে। এমনকি পুলিশি সহয়তাও পেতে পারেন অভিযোগকারী।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, ‘জীবন ও জীবিকার মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ন না হয় সেটা নিশ্চিত করাই আদালতের মূল উদ্দেশ। আদালতের নির্দেশকে অমান্য করা হচ্ছে এই অভিযোগে দায়ের হয়েছে আদালত অবমাননার মামলাও।
পরিচালকদের একাংশর পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ উঠেছে, টেকনিশিয়ানদের কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের তির ছিল ‘ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ান অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া’র দিকে। টেকনিশিয়ান পক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘কোনও টেকনিশিয়ান বাধা দেননি পরিচালকদের কাজে। পরিচালকদের পক্ষ থেকে যে মূল মোকদ্দমা ছিল, তাতে পক্ষভুক্ত করেনি তাঁরা। উপরন্তু আদালত অবমাননার (contempt of court) পক্ষভুক্ত করেছে। টেকনিশিয়ানরা জানে না, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠিক কী?’ বিচারপতি অমৃতা বলেন, ‘অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগ শুনছি না, কিন্তু তারা (পরিচালকরা) যেন কাজ করতে পারেন, রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করতে হবে,’। আগামী ১৬ জুন পরবর্তী শুনানি।
এবার পুলিশ দিয়ে হবে শুটিং?
সম্ভাবনা রয়েছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, ‘পুলিশের সহায়তা নিয়ে কি শুটিং করা যেতে পারে’! তারপর বলেন, যদি আবারও অভিযোগ ওঠে, শুটিংয়ে বাধার, সেক্ষেত্রে তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের সচিবকে জানাতে হবে। সেই অভিযোগের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে, প্রয়োজনে দেওয়া হবে পুলিশি সহায়তা।