১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্র দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন অভিনেত্রী হেমা মালিনিকে। তাঁদের দুই কন্যা—এষা ও অহনা দেওল।

ধর্মেন্দ্র ও হেমা
শেষ আপডেট: 12 June 2025 15:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র শুধু অভিনয়ের জন্যই নয়, নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে যত্ন নেওয়ার জন্যও সকলের পরিচিত। ৮৯ বছর বয়সেও তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের অনুপ্রাণিত করে চলেন। তাঁর পরিবারের অনেকেই গ্ল্যামার দুনিয়ায় পরিচিত মুখ হলেও কিছু সদস্য রয়ে গেছেন প্রচারের আড়ালে।
১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, পাঞ্জাবের এক জাঠ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বাবা কে. কে. সিং দেওল ছিলেন স্কুলশিক্ষক এবং মা শতবন্ত কৌর গৃহবধূ। মাত্র ১৯ বছর বয়সে, ১৯৫৪ সালে, তিনি বিয়ে করেন প্রকাশ কৌরকে। এই দম্পতির চার সন্তান—দুই ছেলে সানি ও ববি, এবং দুই কন্যা অজীতা ও বিজেতা।
সানি দেওল হলেন ধর্মেন্দ্রর বড় ছেলে এবং বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা। সানির স্ত্রী পূজা দেওল প্রচারের আড়ালে থাকতে ভালবাসেন। তাঁদের দুই পুত্র করণ ও রাজবীর দেওল দুজনেই বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছেন। করণ 'পল পল দিল কে পাস' ও রাজবীর 'দোন্নো' ছবিতে অভিনয় করেছেন।
ববি দেওলও বলিউডে বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। 'গুপ্ত', 'অ্যনিম্যাল'-এর মতো একাধিক ছবিতে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী তানিয়া দেওলের সঙ্গে তাঁদের দুই ছেলে—আর্যমান ও ধ্রম। তবে এই দুই সন্তান এখনও বলিউডে প্রবেশ করেননি। ধর্মেন্দ্রর দুই মেয়ে অজীতা ও বিজেতা বরাবরই গ্ল্যামার জগতের বাইরে থেকেছেন। বিজেতা বিবাহিত বিবেক গিলের সঙ্গে এবং তাঁদের দুই সন্তান—সহেল ও প্রেরণা। অন্যদিকে, অজীতা বর্তমানে আমেরিকায় একজন সাইকোলজির শিক্ষক। তাঁর স্বামী কিরণ চৌধুরী একজন ডেন্টিস্ট। তাঁদের দুই কন্যা নিকিতা ও প্রিয়াঙ্কা।
১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্র দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন অভিনেত্রী হেমা মালিনিকে। তাঁদের দুই কন্যা—এষা ও অহনা দেওল। এষা অভিনয়ে নিজের পরিচিতি গড়েছেন এবং প্রাক্তন স্বামী ভারত টাখতানির সঙ্গে তাঁর দুই মেয়ে—রাধ্যা ও মিরায়া। অহনা যদিও সিনেমার দুনিয়ায় আসেননি, কিন্তু তিনি প্রশিক্ষিত নৃত্যশিল্পী। তাঁর স্বামী বৈভব ভোরা এবং তাঁদের তিন সন্তান—দারিয়েন, অ্যাস্ট্রাইয়া ও অ্যাডিয়া।
ধর্মেন্দ্র ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনীর মধ্যে বয়সের পার্থক্য ১৩ বছর। হেমা মালিনীর প্রতি ধর্মেন্দ্রর ভাললাগা শুরু হয় একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার সময়। ‘শোলে’, ‘চরস’, ‘ড্রিম গার্ল’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে ধীরে ধীরে পরস্পরের প্রতি এক গভীর টান অনুভব করেন তাঁরা। ধর্মেন্দ্র নিজেই বহুবার বলেছেন, হেমার ব্যক্তিত্ব, শালীনতা ও সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। হেমা ছিলেন আত্মবিশ্বাসী, নিজের শর্তে চলা একজন স্বাধীনচেতা নারী—যে রকম সঙ্গিনী ধর্মেন্দ্র সবসময় চেয়েছেন।
এ ছাড়াও, অভিনেতা অভয় দেওল ধর্মেন্দ্রর ভাই অজিত দেওলের ছেলে। তিনিও বলিউডের পরিচিত মুখ এবং 'দেব ডি', 'জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা'র মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন।