ডা. জলিল ডি পারকার, পালমোনোলজিস্ট ও চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং চিকিৎসকরা আশাবাদী।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 22 February 2026 12:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খান (Salim Khan) বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। ৯০ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি লেখককে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের লীলাবতী (Lilavati Hospital)-এ ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সেলিমের মস্তিষ্কে সামান্য রক্তক্ষরণ (মাইনর ব্রেন হেমোরেজ) হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের চিকিৎসক তাঁকে সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তাঁকে আইসিইউ (ICU)-তে স্থানান্তরিত করা হয় এবং সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বয়সজনিত ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে তাঁকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি ধীরে ধীরে সাড়া দিচ্ছেন চিকিৎসায়।
ডা. জলিল ডি পারকার, পালমোনোলজিস্ট ও চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং চিকিৎসকরা আশাবাদী।
মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সেলিম খানের আরোগ্য কামনায় প্রার্থনায় মগ্ন বলিউড (Bollywood)। ফলে হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমাচ্ছেন পাপারাজ্জিরা। এতেই কয়েকদিন আগেই মেজাজ হারান সলমন। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, বাবার স্বাস্থ্যের খবর বাইরে ফাঁস হওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
হাসপাতালের তরফেও জানানো হয়েছিল, খান পরিবার চাইছে সেলিম খানের চিকিৎসা শান্ত পরিবেশে হোক। কোনওরকম গণ্ডগোল যেন না হয়। সেকথা মাথায় রেখেই মিডিয়ায় বেশি তথ্য শেয়ার করা হচ্ছে না। যার ফলে উদ্বেগ বাড়ছে অনুরাগীদের মনে। সঠিক খবর সামনে না আসায়, অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্ট করছেন, হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমাচ্ছেন। আর এতেই বেজায় অসন্তুষ্ট হচ্ছেন খান পরিবারের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, এর আগেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন পাপারাজ্জিদের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তাঁর ছেলে সানি দেওল। সেলেব মহলে শোনা যায়, হাসপাতালের বাইরে অতিরিক্ত ভিড় এবং বাড়াবাড়িতেই বিরক্ত হয়ে বাবার মৃত্যুর খবর প্রথমে প্রকাশ করতে চাননি তিনি। যদিও সেই সিদ্ধান্তের জন্য সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে এবং তাঁর ভাই ববি দেওল-কেও। তবে কঠিন সময়ে তারকাদের ব্যক্তিগত পরিসর রক্ষা করার পক্ষে অনেকেই তাঁদের সমর্থন করেছিলেন।