
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 8 May 2025 20:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঁচ বছর অভিনয় থেকে দূরে থাকার পর ‘আয়ারা’ ও ‘তালি’-তে সুস্মিতা সেনের দুর্দান্ত কামব্যাক সকলের নজর কেড়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া 'চিঙ্গারী' ছিল তেমনই একটি ছবি, যেখানে এক যৌনকর্মীর ভূমিকায় সুস্মিতার সাহসী অভিনয় নজর কেড়েছিল। কিন্তু এই ছবির শ্যুটিংয়ের সময় থেকেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিল গোটা প্রজেক্ট।
bollywoodshaadis নামক এক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সেই ছবির সহ-অভিনেতা অনুজ সাওহনি এক চুম্বন দৃশ্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে এমন মন্তব্য করেন যে তাতে ক্ষুব্ধ হন সুস্মিতা। তিনি দাবি করেন, ওই দৃশ্যটির ৩৬ বার টেক দিতে হয়েছিল। পরে পরিচালক কল্পনা লাজমি জানান, সুস্মিতা প্রচারে যেতে রাজি হননি বলেই দু’মাস প্রচার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। কল্পনার মন্তব্য, “সুস্মিতা ছাড়া চিঙ্গারী যেন আগ্রা ছাড়া তাজমহল।” অনুজ পরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও কল্পনার মতে, সেটিই ছিল তাঁর দোষ স্বীকার করার সমান। সুস্মিতাও পরে জানান, একটি গুরুতর ছবিকে ‘চুম্বন দৃশ্য’ দিয়ে প্রচার করাটা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল।
ছবির আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু পরিচালক কল্পনা জানান, শ্যুটিংয়ের সময় সুস্মিতা ও মিঠুনের মধ্যে সম্পর্ক একেবারেই ভাল ছিল না। এমনকি, একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর মিঠুনের বিরুদ্ধে ‘অশ্লীল স্পর্শ’ করার অভিযোগ করেছিলেন সুস্মিতা। যদিও পরে বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি বলে মিটে যায়। কেউই ওই অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি।
এইসব বিতর্ক সত্ত্বেও, ছবিতে ‘বাসন্তী’র চরিত্রে সুস্মিতা সেনের অভিনয় ছিল নজরকাড়া। নিজেও স্বীকার করেছেন, চরিত্রটি থেকে বেরোতে তাঁর সময় লেগেছিল। তিনি বলেন, “আমি জানতাম এটা অভিনয়, তবু যখন কেউ স্পর্শ করত, আমার ভিতরটা কেঁপে উঠত। বাসন্তী যেন আমার মধ্যে ঢুকে পড়েছিল।” বক্স অফিসে ছবিটি খুব একটা সাফল্য না পেলেও, সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল সুস্মিতা ও মিঠুনের অভিনয়।