সকাল ঠিক ১১টা ৩০ মিনিট নাগাদ যুবভারতীতে ঢুকল মেসির (Kolkata Messi) গাড়ি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ (Luis Surez) ও রদ্রিগো ডি পল (De Paul)। ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা দেখে হাসিমুখেই ছিলেন মেসি (Lionel Messi)। কিন্তু গাড়ি থেকে নামার পরেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।

শেষ আপডেট: 13 December 2025 14:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'এটা গল্প হলেও পারত'-- এই মুহূর্তে বাংলা সহ আশেপাশের রাজ্যের মেসি ভক্তদের অ্যান্থেম এখন এটাই। কোথা থেকে কী যে হল, তা এখনও বুঝতেই পারছেন না তাঁরা! একরাশ মন খারাপ নিয়েই উগরে দিচ্ছেন ক্ষোভ। তবে এ সবের মধ্যে যে ছবি ভাইরাল হয়েছে তা হল এক ফ্রেমে মেসি-সুয়ারেজ ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এ দিন টলিউড তথা বাংলা চলচ্চিত্র জগতের প্রতিনিধি হিসেবে হাজির ছিলেন শুভশ্রী। দেখা হল, কথাও হল, একসঙ্গে ছবিও তুললেন তাঁরা। শুধু শুভশ্রীই নয়, তাঁর আপ্ত সহায়ক, হেয়ার স্টাইলিস্টকেও ছবি তুলতে দেখা গেল ফুটবলের কিংবদন্তীর সঙ্গে।
তবে শেষটা সুখের হল না। একুশ মিনিট ছিলেন মেসি। তাঁকে ঘিরে ছিলেন রাজ্যের নেতা-মন্ত্রী-তারকারা। সাধারণের দৃষ্টিগোচর হওয়ার আগেই মেসি ভ্যানিস!
সকাল ঠিক ১১টা ৩০ মিনিট নাগাদ যুবভারতীতে ঢুকল মেসির (Kolkata Messi) গাড়ি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ (Luis Surez) ও রদ্রিগো ডি পল (De Paul)। ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা দেখে হাসিমুখেই ছিলেন মেসি (Lionel Messi)। কিন্তু গাড়ি থেকে নামার পরেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। মন্ত্রী, কর্তা ও আমন্ত্রিতদের ভিড়ে প্রায় ঘিরে ফেলা হয় আর্জেন্টিনার (Argentina) তারকাকে। ছবি তোলার হুড়োহুড়িতে তাঁর হাঁটার জায়গাটুকুও প্রায় ছিল না। নিরাপত্তারক্ষীরা চারদিক থেকে ঘিরে রাখলেও গ্যালারি থেকে প্রায় ২০ মিনিট ধরে মেসিকে দেখাই গেল না। যা নিয়ে চরম হতাশ দর্শকরা।
এর মধ্যেই গ্যালারিতে শুরু হয় অসন্তোষ। ‘উই ওয়ান্ট মেসি’ স্লোগান শুরু হয় স্টেডিয়ামে (Messi Kolkata News)। টিকিট কেটে আসা দর্শকদের ভরসা ছিল স্টেডিয়ামের তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন। কিন্তু সেখানেও পরিষ্কার ভাবে মেসিকে (Messi Kolkata Tour) দেখা যাচ্ছিল না।
মোহনবাগান ও ডায়মন্ড হারবারের প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব চলাকালীনও তাঁকে ঘিরে ভিড় কমেনি। নেতা-মন্ত্রীরা তো বটেই, আয়োজকদের লোকজনও এমন ভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন যে মেসির টিকিটিও দেখতে পাননি দর্শকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে মাইক্রোফোনে বারবার অনুরোধ জানাতে হয়। তাতেও কাজ হয়নি। পরিস্থিতি সামলাতে লাঠিচার্জ শুরু হয় স্টেডিয়ামে। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ক্রীড়াপ্রেমীর কাছে আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনাও করতে দেখা যায় তাঁকে।