Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

'বইচোর' রূপমের নতুন অ্যালবাম এবার সিডি-তে, ইউটিউবেও এল মিউজিক ভিডিও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি সবসময়ই চেনা পথের বাইরে হাঁটেন। সকলে যা করেন, যেভাবে করেন, তার চেয়ে বরাবরই একটু আলাদা তিনি। তাই তো বিভিন্ন অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপে অডিও রিলিজ এবং ইউটিউবে মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করাটাই যখন দস্তুর, সেই সময়ে এসে শুধু সিডি হিস

'বইচোর' রূপমের নতুন অ্যালবাম এবার সিডি-তে, ইউটিউবেও এল মিউজিক ভিডিও

শেষ আপডেট: 29 April 2020 10:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি সবসময়ই চেনা পথের বাইরে হাঁটেন। সকলে যা করেন, যেভাবে করেন, তার চেয়ে বরাবরই একটু আলাদা তিনি। তাই তো বিভিন্ন অনলাইন স্ট্রিমিং অ্যাপে অডিও রিলিজ এবং ইউটিউবে মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করাটাই যখন দস্তুর, সেই সময়ে এসে শুধু সিডি হিসেবেই একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন রূপম ইসলাম। এবার ইউটিউবে চলে এল ‘‌আমি’‌-র প্রথম মিউজিক ভিডিও ‘‌বইচোর’‌। রূপমের নতুন একক অ্যালবাম ‘‌আমি’‌-র সঙ্গতে রয়েছেন গিটার মায়েস্ত্রো অমিত দত্ত। সেই অ্যালবামের গান ‘‌বইচোর’-এর যে মিউজিক ভিডিওটি এল ইউটিউবে, তাতেও রয়েছে অমিতের দক্ষ হাতের আইকনিক স্বাক্ষর।মিউজিক ভিডিওটির নির্মাতা অমর্ত্য ভট্টাচার্য। রূপমের সেই সিডি বইমেলায় দেদার বিক্রি হয়েছে। মজার কথা হল, এই বছরের জানুয়ারি মাসে চলা সেই কলকাতা বইমেলার সময়েই নিজের খেয়ালে বইমেলার মধ্যেই কিছু দৃশ্যের শ্যুট তিনি করে রেখেছিলেন। সেটাই কাজে লেগে গেল এই ভিডিওয়। মিউজিক ভিডিও-র যে অংশে রূপমকে গাইতে দেখা যাচ্ছে, সেটা অবশ্য শ্যুট করা হয়েছে তাঁর নিজের বাড়িতেই। ভুবনেশ্বরে বসেই পুরো ভিডিও এডিট করেছেন অমর্ত্য। সিডি প্রকাশের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, ফিজিক্যাল কপি অর্থাৎ সিডি হিসেবে ছাড়া এই অ্যালবাম বিক্রি করা হবে না, তাহলে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিউবে অ্যালবামের গানটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিলেন কেন রূপম?‌ শিল্পী বললেন, "‌আসলে করোনা এবং লকডাউনই সব গোলমাল করে দিল। সিডি হিসেবেই বইমেলার সময় থেকে বিক্রি হয়েছে এই অ্যালবাম। যাঁরা বইমেলা থেকে সিডি সংগ্রহ করতে পারেননি, আমার বন্ধুরাই দায়িত্ব নিয়ে তাঁদের সিডি পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু করোনার কারণে সেটা আর হচ্ছে না। এদিকে সিডি চেয়েও চাপ আসছিল। কিন্তু তাই বলে তো এখন সিডি ডেলিভারি করানোর ঝুঁকি নেওয়া যায় না।" রূপম বারবারই শ্রোতাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন গান শোনার গুণগত মানের কথা। বুঝিয়ে বলেছেন, কেন এবং কীভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গান শোনার বদলে সিডিতে শুনলে উন্নত গুণমানের শব্দের মাধ্যমে গান উপভোগ করা যায়। সেকথা মনে করিয়ে দিয়েই তিনি বললেন, "অজস্র মানুষ কিন্তু সিডিতেই গানটা শুনেছেন। তাঁরা কতটা তৃপ্ত, সেটাও জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাজেই এই অ্যালবামটা যে সিডিতেই শোনা উচিত, তার পক্ষে একটা জনমতও তৈরি হয়ে গেছে। আমি চেয়েছিলাম এই অ্যালবামটা শ্রোতারা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। সেই উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।" ডিজিটাল ফর্ম্যাটেও বাজিমাত করছে এই অ্যালবাম। ‘‌গানা’–র মতো জনপ্রিয় অ্যাপের শীর্ষ ট্রেন্ডিংয়ের ১ নম্বরে রয়েছে তাঁর ‘‌আমি যাই’‌। ৩,৪,৮, ১১, ১২, ১৩ এবং ১৫ নম্বরেও রয়েছে ‘‌আমি’‌-র বাকি গানগুলি। সম্প্রতি প্রথম মৌলিক বাংলা গানের চ্যানেল হিসেবে একলক্ষ সাবসক্রাইবার অর্জন করেছে রূপমের ইউটিউব চ্যানেল। রহস্যটা কী?‌ রূপম বললেন, "‌আসল কথাটা হল ধারাবাহিকতা। এটা ধারাবাহিক ভাবে ভাল এবং আধুনিক মেজাজের গান লেখার স্বীকৃতি বলে আমি মনে করি। অনেকেই ইউটিউবে বা ফেসবুকে ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য ডিজিটাল প্রোমোশন করেন। আমি সেটাও করি না।" উদাহরণ দিতে গিয়ে রূপম বললেন, "‌১৯৯৫ সালে লেখা গান 'নীল রং ছিল ভীষণ প্রিয়'। ১৯৯৭ সালে 'কমলো মেঘেদের ওজন'-এর মতো গান লিখেছি আমি। এরপর থেকে অবিরত ভাল গান লেখার চেষ্টা করেছি। এই গানগুলো কিন্তু শুধু সাধারণ শ্রোতাদের দ্বারা সমাদৃতই নয়, সমালোচকদের দ্বারাও প্রশংসিত। যেদিন থেকে বাংলা মৌলিক গানের জন্য পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়েছে, আমি কিন্তু পুরস্কারের মধ্যেই আছি। এবং এই গানগুলো এতটাই জনপ্রিয় যে, যে কোনও শো-তে আমি চুপ করে গেলেও শ্রোতারাই পুরো গানটা গেয়ে দিতে পারেন।" শিল্পীর কথায়, "২১ বছর বয়স থেকে আমার গান জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। এখন আমার বয়স ৪৬। গানের জনপ্রিয়তার এই ২৫ বছরের যাত্রাপথ পেরিয়েও আমি চূড়ান্ত হিট গান দিতে পারছি। ‘আমি’ অ্যালবামের আমি যাই, রেডিও জকি, আদমের সন্তানের মতো গান কিংবা আরও ভাল করে বলতে গেলে আমার তো মনে হয়, পুরো অ্যালবামটাই সুপারহিট। এই ধারাবাহিকতাটা বোধহয় আর কেউ দেখাতে পারেননি। এই ভাবেই ধারাবাহিক ভাবে ভাল গান তৈরি করে যাওয়ার ক্ষমতাটাই আমার চ্যানেল মৌলিক বাংলা গানের চ্যানেল হিসেবে জনপ্রিয়তম হওয়ার কারণ।"

```