ডাবের জলে ভদকা, ৫০ কিলোমিটার হাঁটা, আর সেটে পৌঁছে অনায়াস অভিনয়—শোলে-র দিনগুলিতে ধর্মেন্দ্র ছিলেন ঠিক এমনই।

শোলে
শেষ আপডেট: 28 January 2026 16:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্মেন্দ্র (Dharmendra) আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তবু বলিউডে তিনি শুধুই একজন অভিনেতা নন, তিনি নিজেই এক যুগ, এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। কালজয়ী ছবি শোলে-কে (Sholay) ঘিরে আজও উঠে আসে তাঁর নানা অজানা গল্প। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বললেন শোলে-র পরিচালক রমেশ সিপ্পি (Ramesh Sippy) এবং অভিনেত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini)।
সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রমেশ সিপ্পি ও হেমা মালিনী শেয়ার করে নিলেন শুটিংয়ের সময়কার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। রমেশ সিপ্পির কথায়, একদিন হঠাৎই ধর্মেন্দ্রর ইচ্ছে হয়, তিনি হোটেল থেকে হেঁটেই শোলে-র শুটিং সেটে যাবেন। হেমা মালিনী জানান, হাঁটতে ভালোবাসতেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু সেই হাঁটা যে প্রায় ৫০ কিলোমিটারের, তা ভাবতেই অবাক লাগে। কারণ হোটেল থেকে সেটের দূরত্ব ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
সেদিন রাত প্রায় ২টো নাগাদ হোটেল থেকে হাঁটা শুরু করেন ধর্মেন্দ্র। মাঝে মাঝে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নিতেন, তারপর আবার হাঁটা। এভাবেই টানা প্রায় চার ঘণ্টা পথ চলার পর অবশেষে তিনি পৌঁছে যান শোলে-র সেটে। ৫০ কিলোমিটার হেঁটে আসা মোটেও সহজ কাজ নয়। সেটে পৌঁছে এক ঘণ্টা বিশ্রাম নেন তিনি। তারপরই তৈরি হয়ে যান অভিনয়ের জন্য।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, তাঁকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে এত দীর্ঘ পথ হাঁটার পর তাঁর শরীরে কোনও ক্লান্তি কাজ করছে। রমেশ সিপ্পি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র মাঝে মাঝে মজা করে ডাবের জলের সঙ্গে ভদকা মিশিয়ে নিতেন।
কখনও দুষ্টুমি করতেন, আবার পরক্ষণেই সম্পূর্ণ সিরিয়াস। রেগে গেলেও মুহূর্তের মধ্যেই শান্ত হয়ে যেতেন তিনি। রমেশ সিপ্পির কথায়, এই সহজ, প্রাণবন্ত স্বভাবের জন্যই ধর্মেন্দ্র ছিলেন সকলের প্রিয়।