অরিজিৎ নতুন গান না গাইলেও ভক্তরা তাঁর পুরনো গানগুলিকেই আশ্রয় করে রেখেছেন (Arijit Singh Old Songs)। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে, ব্রেকআপের রিল থেকে শুরু করে রাতের একাকিত্ব- সবখানেই ফিরে আসছে অরিজিতের পুরনো গান।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স- দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 28 January 2026 16:03
হার্ট ব্রেক আর অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)- এই দুটি শব্দ যেন বহুদিন ধরেই একে অপরের পরিপূরক। কারও সম্পর্ক ভাঙলেই তাঁর প্লে-লিস্টে জায়গা করে নিত অরিজিতের গান। বাংলা হোক বা হিন্দি- তাঁর গাওয়া 'স্যাড সং' (Arijit Singh Sad Song) যেন হৃদয় ভাঙা প্রেমিকের পোড়া মনের জ্বা্লা মেটাতে ওষুধের মতো কাজ করে। 'চন্না মেরেয়া', 'হামারি আধুরি কাহানি', 'ফির লে আয়া দিল,' 'তুম হি হো'- আরও কত কী! অরিজিৎ সিং-এর কণ্ঠ যেন ভাঙা হৃদয়ের ওপর নরম একটা সান্ত্বনার পর্দা।
মঙ্গলবার হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে প্লে ব্যাক (Playback Singing) ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন অরিজিৎ। আর হয়তো তাঁর কণ্ঠে কোনও প্লেব্যাক শোনা যাবে না। এমন অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে একটা প্রশ্নই ঘুরছে, 'ব্রেকআপ (Break Up) হলে এবার আমরা কার গান শুনব?'
বছরের পর বছর ধরে একটা জিনিস চলে এসেছে, যখনই কোনও সম্পর্কে দুঃখ বা ভাঙন আসে, কেউ চুপচাপ ব্যালকনিতে বসে থাকে, কেউ রাতে ছাদে গিয়ে একা সময় কাটায় কিন্তু এই সবেতেই একটা 'কমন ফ্যাক্টর' আছে, সেটা অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)।
'চন্না মেরেয়া' (Channa Mereya) শুধু গান নয়, হাজারো অসম্পূর্ণ প্রেমের একটা ভাষা। 'আগার তুম সাথ হো' শুনলেই চোখ ভিজে যায়। 'তুম হি হো' যেন প্রেমে পড়ার মতোই প্রেম ভাঙারও থিম-সং। এমন একজন মানুষ যখন 'নীরব' হয়ে যান, তখন মন ভাঙা প্রেমিকরা নতুন করে শূন্যতায় হারিয়ে যায়।
অরিজিৎ নতুন গান না গাইলেও ভক্তরা তাঁর পুরনো গানগুলিকেই আশ্রয় করে রেখেছেন (Arijit Singh Old Songs)। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে, ব্রেকআপের রিল থেকে শুরু করে রাতের একাকিত্ব- সবখানেই ফিরে আসছে অরিজিতের পুরনো গান।
অনেকে বলছেন, 'সে গান ছেড়েছে তো কী হয়েছে, আমাদের প্লেলিস্টে তো সে থেকে যাবে।' কারও মতে, 'অরিজিৎ নতুন গান না গাইলেও তাঁর পুরনো গানেই আমরা সারাজীবন সামলে নেব।' যদিও সকলেই চাইছেন সিদ্ধান্ত বদলে প্লে ব্যাকে ফিরুক গায়ক।
ভক্তরা কষ্ট পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাঁর গাওয়া গান যেহেতু কোটি কোটি মানুষের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে তাই ভাঙা মন সান্ত্বনা পাবে আগের মতোই। কারণ সেসব গান আজও ঠিক একইভাবে হৃদয়ের ব্যথা বুঝে নেয়।
অরিজিৎ তাঁর সিদ্ধান্ত দিয়ে যেন বলে গেলেন, 'আচ্ছা চলতা হু, দুয়াও মে ইয়াদ রাখনা!...।' কিন্তু মুশকিল তো ভক্তদের, কারণ দুঃখের সুরে অরিজিৎ ছাড়া তারা এবার কার কাছে যাবে?
অরিজিতের নতুন গান না আসলে ব্রেকআপ যেমন থামবে না। তেমনই তাঁর কণ্ঠ, সুর কখনওই মিলিয়ে যাবে না। শুধু বদলাবে একটা জিনিস, এখন থেকে ভাঙা হৃদয়ের প্রথম ফোন-কলটা আর নতুন গানে নয়, পুরনো অরিজিৎ-প্লেলিস্টেই যাবে।