যখন দেশের উপরে বাড়ছে হুমকি, তখন একজন সৈনিকের সামনে এসে দাঁড়ায় সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন—সে কী বেছে নেবে? দেশ, যার জন্য শপথ নিয়েছে, নাকি সেই পরিবার যাকে ভালোবাসে প্রাণ দিয়ে? ‘সরজমিন’ ঠিক এই দ্বন্দ্বের গল্প। ২৫ জুলাই থেকে জিওহটস্টারে স্ট্রিমিং শুরু হতে চলেছে এই থ্রিলার, যা যুদ্ধের গন্ধ ছড়ালেও তার গভীরে লুকিয়ে আছে হৃদয় বিদারক আবেগ।

আসছে ‘সরজমিন’
শেষ আপডেট: 30 June 2025 16:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যখন দেশের উপরে বাড়ছে হুমকি, তখন একজন সৈনিকের সামনে এসে দাঁড়ায় সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন—সে কী বেছে নেবে? দেশ, যার জন্য শপথ নিয়েছে, নাকি সেই পরিবার যাকে ভালোবাসে প্রাণ দিয়ে? ‘সরজমিন’ ঠিক এই দ্বন্দ্বের গল্প। ২৫ জুলাই থেকে জিওহটস্টারে স্ট্রিমিং শুরু হতে চলেছে এই থ্রিলার, যা যুদ্ধের গন্ধ ছড়ালেও তার গভীরে লুকিয়ে আছে হৃদয় বিদারক আবেগ।
কাশ্মীরের অস্থির আবহে তৈরি হয়েছে এই গল্প। মেজর বিজয় মেনন—যার চরিত্রে অভিনয় করছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন—একজন সৎ ও সাহসী আর্মি অফিসার। কর্তব্যই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। কিন্তু সেই কর্তব্যই যখন তাঁকে নিজের পরিবারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়, তখন শুরু হয় অন্য এক যুদ্ধ। কাজল অভিনীত মীরা—একজন স্ত্রী এবং মা, যিনি কোনও মতে টিকিয়ে রাখতে চান ভেঙে পড়া পরিবারটিকে। আর হরমন (ইব্রাহিম আলি খান)—এক তরুণ, যার ভেতরে চাপা পড়ে থাকা প্রশ্ন আর আবেগ একসময় বিস্ফোরণ ঘটায়।
এই সিনেমা শুধু সীমান্তে ঘটে চলা সংঘর্ষের গল্প নয়, বরং সেই নীরব সংঘর্ষের কথা বলে যা চলে প্রতিটি মানুষের মনের ভেতরে। কর্তব্য আর ভালোবাসার টানাপড়েন, সত্য আর বিশ্বাসঘাতকতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এক পরিবারের সংগ্রাম তুলে ধরেছে ‘সরজমিন’।
প্রযোজক আলোক জৈন জানিয়েছেন, “এই সময়ের প্রেক্ষাপটে সরজমিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বরাবর এমন গল্প দর্শকদের সামনে আনতে চাই যেগুলি বাস্তব, আবেগে মোড়া এবং মানুষের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।” করণ জোহর এই সিনেমাকে বলেছেন, “একটি ব্যক্তিগত ও তীব্র আবেগঘন যাত্রা। শুধুই থ্রিলার নয়, এটি এক ধরনের আত্মপোলব্ধি যেখানে দর্শকও ভাবতে বাধ্য হবেন—কী ঠিক আর কী ভুল।” অপর প্রযোজক অপূর্ব মেহতা জানান, “প্রথম থেকেই জানতাম এই গল্পের একটা আলাদা শক্তি আছে। কায়োজে যেভাবে এটি ফুটিয়ে তুলেছে, তাতে আমরা সবাই মুগ্ধ।”
এই ছবির মাধ্যমেই পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন কায়োজে ইরানি। তাঁর কথায়, “সরজমিন শুধু আমার প্রথম ছবি নয়, এটি আমার মনের খুব কাছের। এমন একটি গল্প বলার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। পৃথ্বীরাজ স্যর, কাজল ম্যাম ও ইব্রাহিম—তাঁরা প্রত্যেকে চরিত্রের ভেতরে ঢুকে এত সুন্দরভাবে অভিনয় করেছেন যে এই অভিজ্ঞতা আমার জীবনের অন্যতম সেরা হয়ে থাকবে।”