উডল্যান্ড সূত্রের খবর, ভর্তির পরেই অভিনেত্রীর ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয়। ২৪ ঘণ্টার হল্টার মনিটরিংও করা হয়। করা হয় প্রয়োজনীয় রক্তপরীক্ষাও। সাময়িক ভাবে 'করোনারি ইনসাফিসিয়েন্সি' হয়েছিল তাঁর।

হাসাপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সন্ধ্যা রায়।
শেষ আপডেট: 21 June 2024 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আচমকা বুকে সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়! গত শনিবার থেকেই বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর বুকে একটু অস্বস্তি হতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল উডল্যান্ড হাসপাতালে। আজ, শুক্রবার ছাড়া পেলেন তিনি। ভাল আছেন আপাতত।
উডল্যান্ড সূত্রের খবর, ভর্তির পরেই অভিনেত্রীর ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা হয়। ২৪ ঘণ্টার হল্টার মনিটরিংও করা হয়। করা হয় প্রয়োজনীয় রক্তপরীক্ষাও। সাময়িক ভাবে 'করোনারি ইনসাফিসিয়েন্সি' হয়েছিল তাঁর।
অভিনেত্রীর চিকিৎসার জন্য তিন জন চিকিৎসকের একটি টিম তৈরি করা হয়েছিল। তাতে ছিলেন কার্ডিওলজির ডিরেক্টর ডক্টর এসবি রায়, ক্রিটিক্যাল কেয়ার স্পেশ্যালিস্ট ডক্টর সুস্মিতা দেবনাথ এবং নন ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডক্টর পিকে মিত্র।
প্রায় তিন দশক সময় ধরে বাংলা সিনেমায় দাপিয়ে অভিনয় করেছেন সন্ধ্যা। ‘পলাতক’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’, ‘বাঘিনী’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’-- ইত্যাদি ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও মনে রেখেছে বাঙালি। বিয়ে করেছিলেন পরিচালক তরুণ মজুমদারকে। শেষের দিকে অবশ্য বিচ্ছিন্ন ছিলেন তাঁরা। ২০১৪ সালে মেদিনীপুর থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ে সাংসদ হয়েছিলেন সন্ধ্যা। তবে এর পরে আর রাজনীতি করেননি বিশেষ। সেভাবে ক্যামেরার সামনেও আসেননি বয়সজনিত কারণে।
২০২১ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেত্রী। ২০২২ সালে হারান স্বামী তরুণ মজুমদারকে। এবার ফের বুকে সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে কয়েকদিন কাটাতে হল সন্ধ্যাকে। আপাতত তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে এবং সবরকম পরীক্ষানিরীক্ষা সেরে বাড়ি ফিরলেন।