Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

‘এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে’ সন্ধ্যার এ গানের বয়স প্রায় ৫০ বছর হল, মিল্টু ঘোষ ছিলেন গীতিকার

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের নিষ্ঠাভরে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো করতেন। নিজে লক্ষ্মীর পাঁচালিও পড়তেন। এই গানটি অবশ্য লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে গাননি সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।

‘এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে’ সন্ধ্যার এ গানের বয়স প্রায় ৫০ বছর হল, মিল্টু ঘোষ ছিলেন গীতিকার

শেষ আপডেট: 28 October 2023 18:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে। আমার এ ঘরে থাকো আলো করে..। কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন বাংলার ঘরে ঘরে বাজে এই গান। গানের কথা, সুর ও গায়কি আজও ছুঁয়ে যায় বাঙালির মন। 

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের নিষ্ঠাভরে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো করতেন। নিজে লক্ষ্মীর পাঁচালিও পড়তেন। এই গানটি অবশ্য লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে গাননি সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। গানটির প্রথম লাইনও লক্ষ্মী পুজো দিয়েও ছিল না। প্রথম পংক্তি ছিল, “শঙ্খ বাজিয়ে মা কে ঘরে এনেছি, সুগন্ধি ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি। প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে, আমার এ ঘরে থাকো আলো করে”।

১৯৭৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল বাংলা ছবি ‘দাবি’। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বিকাশ রায়, সমিত ভঞ্জ, অসিত বরণ ও মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়। ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচালনায় সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সন্ধ্যা রানিও। এই দাবি ছবিতে সুরকার ছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ভাই অমল মুখোপাধ্যায়। আর গানের কথা লিখেছিলেন মিল্টু ঘোষ। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ছাড়াও হেমন্ত, শ্যামল মিত্র এবং আরতি মুখোপাধ্যায় গান গেয়েছিলেন এই ছবির জন্য।

ইদানীং অবশ্য এই গানটি অদিতি মুন্সির কন্ঠেও জনপ্রিয় হয়েছে। তবে সন্ধ্যা আর অদিতির গায়কির মৌলিক ফারাক রয়েছে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই যন্ত্রানুসঙ্গের জন্য অদিতির গাওয়া গানটি পছন্দ করেন। তবে প্রবীণদের পছন্দ সন্ধ্যার গাওয়া গানটিই। 

শোনা যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় নিজেও কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন বাড়িতে এই গানটি বাজাতেন। বেশ ঘটা করেই তাঁর বাড়িতে লক্ষ্মী পুজো হত। একবার লক্ষ্মী পুজোর দিন সুচিত্রা সেন এসেছিলেন সন্ধ্যার বাড়িতে। 

এমনিতে সুচিত্রা সেনের বাড়িতেও লক্ষ্মী পুজো হত। তাঁর খুব কাছের মানুষদের পুজোয় আমন্ত্রণ করতেন সুচিত্রা। কিন্তু একবার কোনও কারণে সুচিত্রার বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো হয়নি। সেবার ছোট বোন রুণা ধর আর মেয়ে মুনমুন নিয়ে সন্ধ্যার বাড়িতে গিয়েছিলেন সুচিত্রা। উপোস করে অঞ্জলি দিয়ে সন্ধ্যার হাতের ভোগ খেয়েছিলেন মহানায়িকা।


```