শেষ পর্যন্ত কি জয়ীতা আবার ফিরে আসবে? পরিবারের সকলের একজন হয়ে উঠবে, নাকি পরিস্থিতি তাদের কখনই আর এক হতে দেবে না? সে গল্প পর্দায় গিয়েই জানতে হবে। তবে এই চিত্রনাট্যে কেবলই দূর মেরুর দুই মানুষের গল্প নয়, বাবা-ছেলের সম্পর্ক, সমাজের চোখরাঙানি, আবেগ, অনুশোচনা আর পরিস্থিতির টানাপোড়েন—এই সব মিলিয়েই মিলবে পর্দায়।

শেষ আপডেট: 17 February 2026 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর (Rituparna Sengupta) প্রযোজনায় তৈরি হতে চলেছে এবার ‘জয়ীতা’। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ও করছেন তিনি নিজেই। পরিচালনায় জিৎ দত্ত, যিনি এর আগে ‘পটাদার কীর্তি’ তৈরি করে বাংলা ছবির দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন। ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিত রায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, মানসী সিনহা ও রত্না ঘোষালকে। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রণজয় ভট্টাচার্য। ইতিমধ্যেই শুটিং শুরু হয়েছে বলেই খবর। রোহিত ও ঋতুপর্ণার এই নয়া জুটি ঘিরে এবার বাংলা ছবির দর্শকদের মনে কৌতূহলের পারদ তুঙ্গে।
চিত্রনাট্য:
চিত্রনাট্যে থাকছে একাধিক টুইস্ট। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে শুভেন্দু রায়চৌধুরী—অঢেল সম্পদ ও বিলাসবহুল বাড়ি থাকা সত্ত্বেও যিনি ভীষণ একা। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তার দিন কাটে নিঃসঙ্গতায়। সেই শূন্যতার মধ্যেই তার জীবনে আসেন জয়ীতা। প্রথমে দায়িত্ব ছিল দেখাশোনা করার, কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি বুঝতে পারেন, শুভেন্দুর প্রকৃত প্রয়োজন ওষুধ নয়, মানুষের সঙ্গ। নিজের আন্তরিকতা ও যত্নে তিনি তার জীবনে ফেরান বাঁচার ইচ্ছে।
তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে যখন পরিবারের সদস্যদের ভুল ধারণা ও মানসিক চাপে জয়ীতাকে বাড়ি ছাড়তে হয়। এই আঘাত সহ্য করতে না পেরে শুভেন্দু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ছেলে রণজয় পরে অনুতপ্ত হয়ে বাবাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেও কোনও লাভ হয় না। গল্প এখানেই নেয় নয়া পথ।
শেষ পর্যন্ত কি জয়ীতা আবার ফিরে আসবে? পরিবারের সকলের একজন হয়ে উঠবে, নাকি পরিস্থিতি তাদের কখনই আর এক হতে দেবে না? সে গল্প পর্দায় গিয়েই জানতে হবে। তবে এই চিত্রনাট্যে কেবলই দূর মেরুর দুই মানুষের গল্প নয়, বাবা-ছেলের সম্পর্ক, সমাজের চোখরাঙানি, আবেগ, অনুশোচনা আর পরিস্থিতির টানাপোড়েন—এই সব মিলিয়েই মিলবে পর্দায়।
রোহিতের সঙ্গে ছবি প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, ‘আমরা অনেক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছি, মানে তিনটি বাংলা এবং দুটি হিন্দি। তাই আমি ওর সঙ্গে কাজ করতে খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এবং মাঝে মাঝে ও আমায় বলতো, 'তুমি আমাকে রেফার করো না, তুমি তো অনেক নায়কের সঙ্গে কাজ করছ।' তাই, আমার মনে হয়েছে এটা ওর জন্য খুবই উপযুক্ত একটা চরিত্র হতে পারে। এই ছবিতে রোহিত কাজ করলে এটা দারুণ একটা ছবি হতে পারে।’