
রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর।
শেষ আপডেট: 4 December 2024 13:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পৌরাণিক, ইতিহাস নির্ভর, দেবদেবী নির্ভর ভারতীয় সিনেমাকে প্রথম 'প্রাপ্তবয়স্ক' করে গড়ে তুলে আন্তর্জাতিক পোশাক পরিয়েছিলেন যিনি, তাঁর নাম রাজ কাপুর। এযুগের প্রজন্ম যাঁকে রণবীর কাপুর, করিনা কাপুরের দাদু বলে নাম শুনেছে। সেই 'আওয়ারা' 'শ্রী ৪২০' রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর। সেই উপলক্ষে ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী এক বিশেষ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত সেই বিশিষ্ট অভিনেতার ১০টি প্রথম সারির ছবি দেখানো হবে দেশের ৪০টি শহরের ১৩৫টি সিনেমা হলে। টিকিটের দাম ধার্য করা হয়েছে মাত্র ১০০ টাকা। তাই একে বলা হচ্ছে রাজ কাপুর@100।
কিংবদন্তি অভিনেতা-পরিচালক-প্রযোজক রাজ কাপুরের তৈরি আরকে ফিল্মস, ফিল্ম হেরিটেড ফাউন্ডেশন, এনএফডিসি এবং ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অফ ইন্ডিয়া যৌথভাবে এই রাজ কাপুর সিনেমা উৎসবের আয়োজন করেছে। উৎসবের থিম নাম দেওয়া হয়েছে-সেলিব্রেটিং দ্য সেন্টেনারি অফ দি গ্রেটেস্ট শোম্যান। সিনেমাগুলি দেখানো হবে পিভিআর-আইনক্স এবং সিনেপলিসে।
এ প্রসঙ্গে রাজ-পুত্র রণধীর কাপুর বলেন, উনি শুধু ছবি নির্মাতা ছিলেন তা নয়, পুরোদস্তুর একজন দার্শনিক ছিলেন। যিনি ভারতীয় সিনেমায় আবেগঘন শিল্পকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন। তাঁর গল্প সিনেমার থেকেও দুরস্ত। এই উৎসব তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন। রণধীর-পুত্র রণবীর কাপুরের এ প্রসঙ্গে মন্তব্য, রাজ কাপুরের উত্তরসূরি হওয়ার জন্য আমি নিজেকে গর্বিত বোধ করি। আমাদের প্রজন্ম দাঁড়িয়ে আছে এক বিরাট ব্যক্তিত্বের গড়ে তোলা মাটির উপর। তাঁর ছবি সাধারণ মানুষের মনের ভাষা, প্রাণের ভাষা, মুখের কথা তুলে ধরেছিল। যা যুগ যুগ ধরে বেঁচে রয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের স্মৃতিতে। তাঁর কালোত্তীর্ণ গল্পগুলি আজও সমকালীন রয়ে গিয়েছে। তাই তাঁর কাজের কিছু নমুনা এযুগের নবযুবাদের কাছে তুলে ধরতে চাই আমরা।
রাজ কাপুরের যে ছবিগুলি দেখানো হবে সেগুলি হল, আগ (১৯৪৮), বরসাত (১৯৪৯), আওয়ারা (১৯৫১), শ্রী ৪২০ (১৯৫৫), জাগতে রহো (১৯৫৬), জিস দেশ মে গঙ্গা বহতি হ্যায় (১৯৬০), সঙ্গম (১৯৬৪), মেরা নাম জোকার (১৯৭০), ববি (প্রযোজিত-পরিচালিত, ১৯৭৪) এবং রাম তেরি গঙ্গা মইলি (প্রযোজিত-পরিচালিত, ১৯৮৫)।