১৩ বছরের সম্পর্ক। প্রতি বছরই রটে বিয়ের খবর। সর্বাধিক যে প্রশ্ন এই যুগলকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তা হল, বিয়ে কবে?

শেষ আপডেট: 23 May 2025 15:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেতে ভালবাসেন, খাওয়াতে ভালবাসেন তিনি। ছোট থেকেই সুস্বাদু, রকমারি পদ খাইয়ে বড় করেছেন মা। রান্নাঘরের প্রথাগত শিক্ষা না থাকলেও জিভের স্বাদেই আজ তিনিও রন্ধন পটিয়সী। কথা হচ্ছে ঐন্দ্রিলা সেনের। জিভের স্বাদ থেকে প্রেমিক অঙ্কুশের মনে জয় করার রহস্য... সব কিছু নিয়ে দ্য ওয়ালে অকপট ঐন্দ্রিলা।
লটে-রহস্য
অঙ্কুশ নাকি ভালবাসেন লটে মাছ খেতে। ওদিকে লটে পছন্দই করেন না ঐন্দ্রিলা। তাই বলে কি ভালবাসার মানুষটাকে রান্না করে খাওয়াবেন না? ঐন্দ্রিলার কথায়, "অঙ্কুশের জন্য লটে মাছ রান্না করে দিই। চেটেপুটে খায়। আসলে এই রান্নার একটা সিক্রেট আছে!" সিক্রেট? সেটি কী? সে প্রশ্ন করতেই খানিক যেন সাবধানী ঐন্দ্রিলা। মন জয়ের গোপন রহস্য ফাঁস করতে একেবারে নারাজ। তবু সাংবাদিকের প্রশ্ন কি আর এড়িয়ে থাকা যায়? জোরাজুরিতে এক গাল এসে বলেন, "নামানোর আগে হালকা ঘি ছড়িয়ে দিই। গন্ধে ম-ম করে। খেতেও ভাল হয়।"
ফ্যানে-ভাতে বাঙালি
আতপ চালের গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ফ্যানা-ভাত। সঙ্গে আলু মাখা, কাঁচালঙ্কা আর অল্প ঘি-মাখন... সাক্ষাৎ স্বর্গ। তবে অনেকেই ফ্যানের গন্ধ পছন্দ করেন না। তাঁদের জন্যও দাওয়াই আছে ঐন্দ্রিলার, বা বলা ভাল নায়িকা মায়ের। বলছিলেন, "মা এমন একটা ফ্যানা ভাতের রেসিপি বানায় না, উফফ মুখে লেগে থাকে। সামান্য ফ্যানা ভাত কিন্তু মা বানায় দুধ দিয়ে। ঠিক পদ্ধতিটা বলতে পারব না। তবে নুন-মিষ্টি দিয়ে এমনভাবে বানায় তা যেন অমৃতের সমান। ফ্যানের গন্ধ, টেরই পাওয়া যাবে না!" যোগ করলেন, "মা ভীষণ ভাল রান্না করেন। আমার মাসি, দিদা এমনকি ছোট বোন সবাই ভাল রাঁধুনি। সেটা কিছুটা হয়তো আমার মধ্যেও আছে।"

অঙ্কুশ বশ!
নায়িকা মানেই 'পটের বিবি'-- এ মিথ ভেঙেছে বহু আগেই। ছুটির দিনে যুগলে রান্না আদপে কোয়ালিটি টাইম তাও ঠাওর করতে পেরেছেন আমজনতা থেকে তারকা। তাই ফাঁক পেলেই অঙ্কুশের জন্য রান্নাঘরে গিয়ে হাতা-খুন্তি তুলে নেন হাতে। আর বানিয়ে ফেলেন এমন এক রেসিপি যা নাকি 'বশ' করে নিতে পারে অঙ্কুশকে। নায়িকার কথায়, "আমার হাতে চিকেন পোলাও খাইয়েই ওকে বশে করে নিতে পারি"। নায়িকা স্বপ্ন দেখেন রেস্তোরাঁ খোলার। না, কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি নয়। বরং কম তেলে বাড়ির স্বাদের রান্না নিয়ে রেস্তোরাঁ খোলার ইচ্ছে তাঁর বহুদিনের। মাঝে ভেবেওছিলেন, তবে বাবার হঠাৎ মৃত্যুতে সে কাজে বাধা আসে। তবে আশা ছাড়েননি তিনি। স্বপ্ন দেখতে কে না ভালবাসেন?
বিয়েটা নেই!
১৩ বছরের সম্পর্ক। প্রতি বছরই রটে বিয়ের খবর। সর্বাধিক যে প্রশ্ন এই যুগলকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে তা হল, বিয়ে কবে? এবারেও সেই প্রশ্ন করতেই খানিক লাজুক, খানিক দিশেহারা। রসিকতা করে বললেন, "বিয়েটা জাস্ট নেই, ১৩টা বছর কেটে গিয়েছে, আরও ১৩টা বছর কেটে যাবে।" ডাক পড়ল শটে যাওয়ার। অঙ্কুশ, আপনি শুনছেন?