Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

#MeToo: মালয়ালম শিল্পী সংসদ ভেঙে দেওয়া হল, ইস্তফা সভাপতি প্রখ্যাত অভিনেতা মোহনলালের

মোহনলাল ছাড়াও এক্সিকিউটিভ কমিটির সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

#MeToo: মালয়ালম শিল্পী সংসদ ভেঙে দেওয়া হল, ইস্তফা সভাপতি প্রখ্যাত অভিনেতা মোহনলালের

দক্ষিণী অভিনেতা মোহনলাল।

শেষ আপডেট: 27 August 2024 16:35

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালয়ালম সিনেমা জগতে অভিনেত্রীদের যৌন লাঞ্ছনা, নিগ্রহের অভিযোগ তোলা হেমা কমিটির রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ভেঙে দেওয়া হল কেরলের সর্বোচ্চ শিল্পী সংগঠন আম্মা বা অ্যাসোসিয়েশন অফ মালয়ালম মুভি অ্যাক্টর্স। প্রখ্যাত দক্ষিণী অভিনেতা মোহনলাল এই সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন মঙ্গলবার। শুধু তাই নয়, সম্পূর্ণ কমিটিই ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহনলাল ছাড়াও এক্সিকিউটিভ কমিটির সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। আম্মার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কমিটির কয়েকজনের বিরুদ্ধে কিছু অভিনেত্রী #MeToo-র মতো অভিযোগ তোলায় নৈতিক দায় মাথায় পেতে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিরূপক কমিটি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। সভাপতি সহ সব সদস্য একযোগে ইস্তফা দিচ্ছেন। দুমাসের মধ্যে নতুন কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

মালয়ালম সিনেমা জগতে উঠতি, নবাগতা কিংবা প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের সঙ্গে যৌন সংসর্গ, অপদস্থ, শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তার অন্ধকার-বাস্তবের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ফের নতুন করে #MeToo আন্দোলন জোরদার হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি হেমা কমিটির রিপোর্টে মালয়ালম সিনেমা শিল্পের অন্তরালে দিনের পর দিন চলতে থাকা মহিলা শিল্পীদের উপর প্রভাবশালী নায়ক, পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রগ্রাহকদের যৌন হেনস্তার জ্বলন্ত সত্য চোখের সামনে চলে এসেছে।

বাঙালি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও কয়েকদিন আগে মালয়ালম সিনেমা জগতের এই অপদস্থ ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন। এখন একের পর এক অভিনেত্রী সেই অভিযোগের সপক্ষে মুখ খুলছেন। যার ফলে গোটা চলচ্চিত্র দুনিয়ার অন্দরের কুৎসিত চেহারাটা বেআব্রু হয়ে পড়েছে।

কেরলের অ্যাসিয়েশন অফ মালয়ালম মুভি আর্টিস্টসের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক। এই সংগঠনই মলিউডের সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী কেন্দ্র।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তরুণী অভিনেতা রেবতী সম্পত। সিদ্দিককে তিনি কট্টর অপরাধী বলে অভিযোগে বলেছেন। ২০১৬ সালে সিদ্দিক তাঁর যৌন নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমার সঙ্গে পরিচয় করেন তিনি। একথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে আমাকে মেয়ে বলে সম্বোধন করতেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর তিনি ফের আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমার কাছে জানতে চান, আমি সিনেমা করতে চাই কিনা। ২১ বছর বয়সে আমি একটি সিনেমার প্রিভিউতে গিয়েছিলাম। সেখানে সিদ্দিক সিটি সেন্টারে আমাকে বিখ্যাত হোটেলে আমন্ত্রণ জানান। সিনেমা নিয়ে আলোচনার জন্য ডেকে পাঠান। সেখানে ঢুকতেই উনি দরজা বন্ধ করে দেন আমার শারীরিক হেনস্তা করেন। আমি যখন বিধ্বস্ত অবস্থায় ঘর ছাড়ি তখন ওনাকে বলি, আমি সকলকে বলে দেব। এর জবাবে তিনি বলেন, তোমার কথা কে বিশ্বাস করবে, কে চেনে তোমায়, একটা ছবিতে অভিনয় করেছো এখনও?

আরেক অভিনেত্রী মিনু মুনির সোমবার প্রখ্যাত তারকা এম মুকেশ এবং জয়সূর্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন। ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, মুকেশ, মনিয়ানপিল্লা রাজু, ইডাবেলা বাবু এবং জয়সূর্য শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁকে হেনস্তা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৩ সালে একটি সিনেমার শ্যুটিং সেটে। তিনি এনডিটিভিকে বলেন, আমি বাথরুম থেকে বেরতেই জয়সূর্য পিছন থেকে আমাকে জাপটে ধরেন। এবং আচমকাই আমায় চুমু খান। এইভাবে এই চারজন দফায় দফায় তাঁর শারীরিক হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ করেছেন মুনির।

 গীতা বিজয়ন নামে আরেকজন অভিনেত্রী পরিচালক তুলসীদাসের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক আচরণের অভিযোগ এনেছেন। বিচারপতি কে হেমা কমিটির রিপোর্টের পর সরকার পদক্ষেপ করেছে। দুই বিশিষ্ট লোকের ইস্তফার পর কেরল সরকার সাত সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করে। আইজির নেতৃত্বে এই টিমে রাখা হয়েছে চার মহিলা আইপিএসকে।


```