বলিউডে টিকে থাকতে যেখানে চেহারা, যৌবন আর শরীরচর্চা নিয়ে চলে সীমাহীন প্রতিযোগিতা, সেখানে ব্যতিক্রম অভিনেতা আর মাধবন।

আর মাধবন
শেষ আপডেট: 6 August 2025 16:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডে টিকে থাকতে যেখানে চেহারা, যৌবন আর শরীরচর্চা নিয়ে চলে সীমাহীন প্রতিযোগিতা, সেখানে ব্যতিক্রম অভিনেতা আর মাধবন। প্লাস্টিক সার্জারি বা কসমেটিক পরিবর্তনের পথে না গিয়েও তিনি নিজেকে মেলে ধরেছেন, যেমন আছেন তেমনভাবেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বয়স নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘‘বয়স হওয়া, চুল পাকানো, দাড়ি সাদা হওয়া— সবই তো প্রাকৃতিক। এতে লুকোচুরি নয়, বরং সহজভাবে মেনে নেওয়াই শ্রেয়।’’
ETimes-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাধবন বলেন, তিনি কখনও নিজের চেহারা লুকোতে চাননি। গ্রে হেয়ার নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘‘এটাই তো জীবন। আমি দেখতে যেমন, ঠিক তেমনই পর্দার বাইরেও থাকতে স্বচ্ছন্দ।’’
মাধবন উল্লেখ করেন রজনীকান্ত ও অজিত কুমারের মতো তারকাদের, যাঁরা পর্দার বাইরেও তাঁদের স্বাভাবিক রূপেই স্বচ্ছন্দ। ‘‘স্ক্রিনে না থাকলে তাঁরা তাঁদের লুক নিয়ে ভাবেন না, আমিও তাই করি না,’’ মন্তব্য মাধবনের।
যুব প্রজন্মের তারকাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার তাগিদও অনুভব করেন না অভিনেতা। তাঁর কথায়, “আমার বয়সে এসে আমি জানি কেউ আমাকে ছয় প্যাক অ্যাবস নিয়ে ভাবছে না। প্রযোজকেরাও জানেন আমি কী ধরনের চরিত্রে মানানসই।”
তবে চরিত্রের প্রয়োজনে বদল আনতে রাজি মাধবন। ২০১৬ সালে ‘সালা খাড়ুস’ ছবির জন্য শরীরচর্চা করে মাংসপেশি বাড়ান তিনি। বলেন, ‘‘চরিত্রের প্রয়োজনে পরিবর্তন আনা আর নিজের লুক পাল্টে ফেলা এক নয়। চরিত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা আনতে আমি যেকোনও পরিশ্রম করতে রাজি।’’
সবশেষে মাধবনকে দেখা গিয়েছে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া ‘আপ জ্যায়সা কোই’ ছবিতে। ছবিতে অভিনয়ের জন্য অবশ্য তাঁকে চুলে রং করতেই হয়েছিল। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিবেক সোনি। অভিনেত্রী ফাতিমা সানা শেখ ছাড়াও ছবিতে ছিলেন আয়েশা রাজা, করণ ওয়াহি, নমিত দাস, মণীশ চৌধুরি এবং বীনা ব্যানার্জি।