চিকিৎসক পুষ্পিতা মণ্ডল জানাচ্ছেন, আগে পাতলা ঠোঁটকে সৌন্দর্যের মাপকাঠি ধরা হত। কিন্তু এখন তার উল্টোটাই ট্রেন্ড। তরুণীদের মধ্যে, বিশেষ করে তারকাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই লিপ ফিলার্স করাচ্ছেন। এর ঝুঁকি যথেষ্ট।

উরফি জাভেদ
শেষ আপডেট: 25 July 2025 14:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছে ঠোঁট, গাল ও থুতনির পেশি ফেঁপে একাকার, জীবন যেন দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে অভিনেত্রী ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার উরফি জাভেদের কাছে। যন্ত্রণায় চোখে জল, মুখে বিকৃতি, কষ্টে কুঁকড়ে যাওয়ার ছবি নিজেই শেয়ার করেন অভিনেত্রী। ‘লিপ ফিলার্স’ করিয়ে আগেও সমস্যায় পড়েছিলেন তিনি। এবার সেই ফিলার সরাতে গিয়েই বিপদ। বলেছেন, 'আর কোনও দিন করাব না। কম যন্ত্রণাদায়ক কিছু হলে তা একবার ভাবা যেতে পারে।'
সৌন্দর্য বাড়াতে আজকাল বলিউড থেকে টলিউড, সব জায়গাতেই ফিলার্স ও বোটক্সের প্রবণতা বেড়েছে। তবে উরফির সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, এই ধরনের জিনিসপত্র সব সময় নিরাপদ নয়।
কী এই লিপ ফিলার্স?
‘লিপ ফিলার্স’ হল একটি কসমেটিক প্রসিডিউর, যেখানে অস্ত্রোপচার নয়, ঠোঁটে একটি সুচের মাধ্যমে হায়ালুরনিক অ্যাসিড জাতীয় এক ধরনের জেল প্রবেশ করানো হয়। এতে ঠোঁট আগের চেয়ে মোটা, ভরাট ও জেল্লাদার দেখায়। চামড়ার সূক্ষ্ম রেখাও কমে আসে। কিন্তু ডোজ সামান্য এদিক-ওদিক হলেই হতে পারে বিপদ।
চিকিৎসক পুষ্পিতা মণ্ডল জানাচ্ছেন, আগে পাতলা ঠোঁটকে সৌন্দর্যের মাপকাঠি ধরা হত। কিন্তু এখন তার উল্টোটাই ট্রেন্ড। তরুণীদের মধ্যে, বিশেষ করে তারকাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই লিপ ফিলার্স করাচ্ছেন। এর ঝুঁকি যথেষ্ট।
কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
‘স্টার লুক’-এর নেশা? সাবধান করছেন চিকিৎসকরা
ফ্যাশন দুনিয়ায় পুরু ঠোঁটকে এখন ‘ট্রেন্ডি’ বলে ধরা হয় ঠিকই, কিন্তু সেই ‘লুক’ পেতে গিয়ে যাঁরা উরফির পথ অনুসরণ করছেন, তাঁদের জন্য এই ঘটনা একটি বড় শিক্ষা হতে পারে। চিকিৎসকরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, এমন পদক্ষেপে না এগিয়ে সাবধানে থাকা উচিত। ফিলার্স করাতে হলে অবশ্যই অভিজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জেন বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
উরফির ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ বলছেন, 'এটা সাজগোজের অত্যুক্তি,' কেউ বা আবার সহানুভূতি প্রকাশ করছেন অভিনেত্রীর শারীরিক যন্ত্রণার জন্য।