
কিশোর কুমার
শেষ আপডেট: 3 March 2025 21:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর। আচমকাই খবর আসে প্রয়াত হয়েছেন কিশোর কুমার। হাসপাতালে যেতে হয়নি, দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসাও হয়নি। ম্যাসিভ হৃদরোগ, ব্যস সব শেষ। মৃত্যু নাকি আগে থেকেই টের পাওয়া যায়! বারেবারে সিগন্যাল পাঠায় শরীর। কিশোর কুমারের ক্ষেত্রেও কি ঘটেছিল এমনই কিছু? মুখ খুললেন তাঁরই পুত্র অমিত কুমার।
অমিতের কথায়, "ওই দিন ভাই সুমিতকে সাঁতার কাটতে যেতে বারণ করেছিলেন বাবা। আমি ক্যানাডায় ছিলাম। ফিরছিলাম বারেবারে জিজ্ঞাসা করছিলেন ক্যানাডা থেকে ঠিক সময়ে তা দেশে এসে পৌঁছবে কিনা। মজা করে বলছিলেন, যদি ডাক্তার ডাকা হয় তবে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হবেন। খুব হাসছিলেন। হাসতে হাসতেই একসময় পড়ে যান। লীনা (কিশোর কুমারের চতুর্থ স্ত্রী) ভাবছিলেন, মজা করছেন বুঝি। কিন্তু আর উঠলেন না।"
জীবনে বহুবার প্রেম এসেছে কিশোর কুমারের। তাঁর প্রথম স্ত্রী রুমা গুহ ঠাকুরতা। রুমা চাইতেন কাজ করতে, কিশোর চেয়েছিলেন গৃহবধূ। এক সন্তান হওয়ার পর বিচ্ছেদ হয় তাঁদের। সেই সন্তানই অমিত কুমার। রুমার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মধুবালাকে বিয়ে করেন কিশোর। সে সময় দিলীপ কুমারের সঙ্গে প্রেম সব ভেঙেছে মধুবালার।
বেশ কিছু বছর সুখের সংসার করেন মধুবালা ও কিশোর কুমার। তবে সেই সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। মারা যান মধুবালা। মধুবালার মৃত্যুর পর হতাশায় ডুবে যান কিশোর কুমার। এমনই এক সময়ে তাঁর জীবনে আসেন যোগিতা বালী। বিয়েও করেন তাঁরা। তবে যোগিতার মা চেয়েছিলেন মেয়ে কেরিয়ারে ফোকাস করুক। সেই কারণেই সম্পর্ক থেকে কিছু বছর পর সরে আসেন অভিনেত্রী। পরবর্তীতে যোগিতা বালি বিয়ে করেন মিঠুন চক্রবর্তীকে। যোগিতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কিশোর কুমার ভালবাসা খুঁজে পান লীনার মধ্যে। আমৃত্যু তাঁর সঙ্গেই বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন কিশোর কুমার।